Advertisement
E-Paper

জ্ঞানেশবিরোধী বিক্ষোভ, পটনায় জমায়েত! মিছিল এগোতেই আটকে দেয় পুলিশ, সংঘর্ষে জড়ালেন বিক্ষোভকারীরা

ছাত্র সংগঠনের ডাকা এই কর্মসূচির কারণে গাঁধী ময়দানকে ‘অভেদ্য দুর্গে’ পরিণত করে রেখেছিল পুলিশ। ঘিরে রেখেছিল ব্যারিকেড দিয়ে। সেই ব্যারিকেড টপকে জমায়েত এগোনোর চেষ্টা করতেই আটকে দেয় পুলিশ।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ২০:০১
Protest in Bihar\\\\\\\'s Patna against CEC Gyanesh Kumar

জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে পটনায় বিক্ষোভ। ছবি: পিটিআই।

আবার পটনার রাস্তায় জ্ঞানেশবিরোধী বিক্ষোভ। মঙ্গলবার পটনার গাঁধী ময়দানে বাম ছাত্র সংগঠনগুলির জমায়েত ছিল। সেই জমায়েত থেকে ওঠে জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবি। ঠিক ছিল, জমায়েত মিছিল করে লোকভবনে যাবে। যদিও পুলিশ সেই মিছিল আটকে দেয় মাঝপথেই। পুলিশের সঙ্গে ধুন্ধুমার বেধে যায় আন্দোলনকারীদের। ধস্তাধস্তি চলে। জমায়েত ছত্রভঙ্গ করতে বিক্ষোভকারীদের টেনেহিঁচ়ড়ে প্রিজ়ন ভ্যানে তোলে পুলিশ।

ভোটপ্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগে, এসআইআর প্রক্রিয়া স্থগিত এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার পটনার গাঁধী ময়দানে জমায়েতের ডাক দিয়েছিল অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বা আইসা এবং রেভল্যুশনারি ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন (আরওয়াইএ)। সেই ডাকে বেলা গড়াতেই জমায়েত শুরু হয়।

ছাত্র সংগঠনের ডাকা এই কর্মসূচির কারণে গাঁধী ময়দানকে ‘অভেদ্য দুর্গে’ পরিণত করে রেখেছিল পুলিশ। ঘিরে রেখেছিল ব্যারিকেড দিয়ে। সেই ব্যারিকেড টপকে জমায়েত এগোনোর চেষ্টা করতেই আটকে দেয় পুলিশ। সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ব্যারিকেড টপকে বাংলো চৌরাহার দিকে এগিয়ে যান। তবে তার পরে বেশি এগোতে দেয়নি পুলিশ। মহিলা-সহ বেশ কয়েক জনকে আটকও করা হয়। স্থানীয় প্রশাসনের তরফে আগেই জানানো হয়েছিল, নির্দিষ্ট স্থানেই বিক্ষোভ কর্মসূচি করা যাবে। কোনও ধরনের বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত নয়। নির্দেশ অমান্য করলে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপের কথা বলে প্রশাসন। উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগে পটনায় মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দফতর অভিযানকে কেন্দ্র উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। মিছিল করে এগোচ্ছিলেন বহু কংগ্রেস সমর্থক। তাঁদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ। তার পর মঙ্গলবার আরও এক বার উত্তাপ পটনায়।

জ্ঞানেশবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল গোটা দেশ। বিশেষত, দিল্লি। গত কয়েক দিন দিল্লির রাজপথে নেমে বিক্ষোভ দেখিয়েছে বিরোধী শিবির। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) ‘যন্তর মন্তর ২.০’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে গত শনিবার উত্তেজনা ছড়ায় দিল্লিতে। হাজার হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করে পুলিশ। ককরোচদের বিক্ষোভে যোগ দিতে গিয়ে পুলিশের হাতে আটক হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ কেজরীবাল, মানিক সরকার, পিনারাই বিজয়ন— চার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। এ ছাড়াও, আইসার মতো ছাত্র সংগঠনও নেমেছিল দিল্লির রাজপথে। আটক হন অনেক সমর্থক।

সোমবার রাহুল গাঁধীর নেতৃত্বে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ সুপ্রিম কোর্ট অভিযান করে। তারা চেয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি জমা করতে। কিন্তু প্রধান বিচারপতি তাদের আবেদন খারিজ করে দেন। পরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন ১১ জন বিরোধী দলনেতা।

সংক্ষেপে
  • মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ চেয়ে শনিবার কর্মসূচির ডাক দিয়েছে সিজেপি।
  • সিজেপির কর্মসূচিকে মাথায় রেখে শুক্রবার রাত থেকেই ধরপাকড় শুরু করেছে পুলিশ।
Gyanesh Kumar patna Protest

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy