Advertisement
E-Paper

‘ছাত্রীকে গণধর্ষণ’! ভাঙচুর চলল পঞ্জাবের বিশ্ববিদ্যালয়ে, অবরোধ জাতীয় সড়ক, অভিযোগ উড়িয়ে পুলিশ বলল, কোনও প্রমাণ নেই

কপূরথালার সিনিয়র পুলিশ সুপার গৌরব তুরা জানিয়েছেন, জাতীয় সড়ক থেকে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে তারা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৯:৫১
পঞ্জাবের বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ।  ক্যাম্পাসে জ্বলল আগুন।

পঞ্জাবের বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ। ক্যাম্পাসে জ্বলল আগুন। ছবি: সংগৃহীত।

ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে পঞ্জাবের এক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠল পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে। সেই বিক্ষোভের আঁচ ছাত্রীদের হস্টেল থেকে পৌঁছে গেল জাতীয় সড়কেও। শনিবার রাতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন লাভলি প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটির পড়ুয়ারা। তাঁদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে গণধর্ষণ করা হয়েছে। যদিও পুলিশ এই দাবি উড়িয়ে দিয়ে জানিয়েছে, সবটাই গুজব। এই সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ তাদের কাছে জমা পড়েনি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দাবি করেছেন, সমাজমাধ্যমে ‘কিছু সমাজবিরোধী’ ভুল, ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করেছে। গুজবে কান দিতে বারণ করেছে তারা।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাগওয়ারা ক্যাম্পাসে ছাত্রীদের হস্টেলের সামনে জড়ো হন প্রায় ২০০০ পড়ুয়া। তাঁদের একাংশের দাবি, সমাজমাধ্যমে এক ছাত্রীকে গণধর্ষণের খবর পড়েই সেখানে হাজির হয়েছেন। অভিযোগ, তার পরেই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাঙচুর শুরু করেন বিক্ষোভকারীরা। পাথর ছুড়ে ভেঙে দেন জানলার কাচ। শ্রেণিকক্ষের ভিতরে ঢুকে আসবাব ভাঙা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনের একাংশে আগুনও জ্বালানো হয়। অভিযোগ, শনিবার জাতীয় সড়কও অবরোধ করেন বিক্ষোভকারীরা। স্তব্ধ হয়ে যায় যান চলাচল।

জাতীয় সড়ক থেকে বিক্ষোভকারীদের হঠিয়ে দেয় পুলিশ। সেখানে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। কপূরথালার সিনিয়র পুলিশ সুপার গৌরব তুরা জানিয়েছেন, জাতীয় সড়ক থেকে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পড়ুয়াদের কথাবার্তা চলছে। ক্যাম্পাসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে অনেকটাই। পুলিশের দাবি, ক্যাম্পাসের কৃষি বিভাগের কাছে এক মহিলা আত্মঘাতী হয়েছিলেন। তবে সেই নিয়ে কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি। গণধর্ষণের অভিযোগও জমা পড়েনি। তুরার কথায়, ‘‘কিছু পড়ুয়া দাবি করেছেন, এক ছাত্রী গণধর্ষিত হয়েছেন। যদিও আমরা এই দাবির সপক্ষে কোনও প্রমাণ পাইনি। এই নিয়ে অভিযোগও পাইনি।’’ তিনি আরও জানিয়েছেন, নির্যাতিতার পরিচয়ও কেউ জানাতে পারেননি। সমাজমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, নির্যাতনে অভিযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়েরই এক কর্মী। তা নিয়েও পুলিশ কিছু জানায়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোনিকা গুলাতি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, যে খবর প্রচার করা হয়েছে, তার কোনও ভিত্তি নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের অবমাননার জন্য ‘ইচ্ছাকৃত’ এ সব করা হয়েছে। পড়ুয়া এবং অভিভাবকদের তিনি গুজবে কান দিতে বারণ করেছেন। কর্তৃপক্ষের তরফে আনুষ্ঠানিক ভাবে যে তথ্য প্রকাশ করা হবে, শুধু তাতেই গুরুত্ব দেওয়ার অনুরোধ করেছেন মোনিকা।

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy