সেকেন্দরাবাদ সেনাছাউনি থেকে যে আগ্নেয়াস্ত্র চুরি গিয়েছিল, তা অবশেষে খুঁজে বের করল তেলঙ্গানা পুলিশ। শুক্রবার হায়দরাবাদের একটি জায়গায় অস্ত্রগুলির খোঁজ মেলে। কয়েক জন সেনা আধিকারিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তের বিস্তারিত রিপোর্ট আসতে আরও কিছুটা সময় লাগবে, এমনটাই জানাল তেলঙ্গানা পুলিশ।
৩১ অগস্ট সকাল ৭টা নাগাদ মোট ১২টি আগ্নেয়াস্ত্র চুরি যায়। এর মধ্যে ছিল ৪টি একে-২০৩ অ্যাসল্ট রাইফেল, ৭টি পিস্তল এবং ১টি ইনসাস রাইফেল। এ ছাড়াও চুরি গিয়েছিল প্রায় ১৮০০ রাউন্ড গুলি-সহ একজোড়া প্যাসিভ নাইট-ভিশন বাইনোকুলার।
২০ মাদ্রাজ রেজিমেন্টের সহায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ময়াঙ্ক গোবিত্রীকর মলকাজগিরি কমিশনারেটের বোলারাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। গোলাবারুদ রাখার ঘর হাট করে খোলা ও তালাভাঙা অবস্থায় দেখে তাঁরা বুঝতে পারেন, আগ্নেয়াস্ত্র চুরি গিয়েছে।
আরও পড়ুন:
৮ সেপ্টেম্বর ২০ মাদ্রাজ রেজিমেন্টের একটি শাখার এক উচ্চপদস্থ আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন ভারতীয় সেনার শীর্ষ আধিকারিকেরা ও তেলঙ্গানা পুলিশ। তদন্তে জানা গিয়েছে, ৩০ অগস্ট সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টায় কোটে (কিপার অফ টেকনিক্যাল ইকুইপমেন্টস বা অস্ত্রাগার) বন্ধ হওয়ার আগে অস্ত্রগুলি শেষ দেখা গিয়েছিল।
এক উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিক বলেন, ‘‘কোটেতে সবসময় কড়া পাহারা থাকে। রক্ষীরা জানিয়েছেন, তার পরে আর কাউকে ঢুকতে বা বেরোতে দেখেননি। তা ছাড়া অস্ত্রাগারের খাতায় সবসময় অস্ত্রের হিসাব লেখা থাকে। আমরা লক্ষ করেছি, গত বেশ কয়েক মাস ধরেই এই হিসাবে গন্ডগোল হচ্ছিল। আবার প্রতি রাতে সাড়ে দশটা থেকে সকাল সাতটা পর্যন্ত কেউ বা কারা সিসিটিভি বন্ধ করে দিচ্ছিল। বেশ কয়েক জন অবসরপ্রাপ্ত ও কর্মরত সেনা আধিকারিক এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।’’
তিনি আরও জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে আরও কয়েক জনকে গ্রেফতার করা হতে পারে।