সিএমআরএল দুর্নীতি মামলায় কেরলমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন এবং তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে কি এফআইআর দায়ের হবে? শনিবার এ প্রসঙ্গে ওই রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ চেন্নিথালা জানিয়েছেন, অ্যাডভোকেট জেনারেলের কাছ থেকে আইনি মতামত নেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখার পরই পদক্ষেপ করা হবে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার পরেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেই জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
চেন্নিথালা আরও জানান, ইডির বিষয়টি নিয়ে রাহুল গাঁধীর সঙ্গেও আলোচনার প্রয়োজন নেই। রাজ্যই বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। ইডি কি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে বিজয়নদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে চাইছে? এই বিষয়ে চেন্নিথালা বলেন, ‘‘ইডির চিঠি পেয়েছে সরকার। অ্যাডভোকেট জেনারেলের মতামতও নেওয়া হচ্ছে। আইনি ভাবে যা যা করণীয় তা করা হবে।’’
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, বিজয়ন, তাঁর কন্যা টি বীণা, জামাই তথা বিধায়ক মহম্মদ রিয়াজের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। সম্প্রতি রাজ্য পুলিশকে চিঠি দিয়ে ইডি বিজনয়দের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে এফআইর দায়ের করার কথা বলেছিল। তার পরই জল্পনা শুরু হয়, তা হলে এ বার বিজয়নদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হচ্ছে? এই জল্পনার মধ্যেই রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হল, আইনি মতামত নিয়েই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, গত মে মাসে বিজয়নের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সূত্রকে উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা এএনআই জানায়, ‘কোচিন মিনারেলস অ্যান্ড রুটাইল লিমিটেড’ এবং বিজয়নের কন্যা টি বীণার সংস্থা ‘এক্সালজিক সলিউশনস প্রাইভেট লিমিটেড’-এর বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের অংশ হিসাবে এই তল্লাশি অভিযান।
২০২৩ সালের অগস্টে প্রথম অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে। সে সময় দাবি করা হয়, ‘এক্সালজিক সলিউশনস প্রাইভেট লিমিটেড’ ২০১৭ সাল থেকে ২০২০ সালের মধ্যে কোনও পরিষেবা না-দিয়েই ‘এক্সালজিক সলিউশনস প্রাইভেট লিমিটেড’-এর কাছ থেকে ১.৭২ কোটি টাকা পেয়েছে। এই বিষয় প্রকাশ্যে আসার পরই কেন্দ্রীয় সরকার জালিয়াতি তদন্ত দফতরকে (এসএফআইও) বিস্তারিত ভাবে খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেয়।