Advertisement
E-Paper

ভাল হাঁসের ডিমের ডেভিল খেতে চান? শহরের ৫টি ঠিকানায় গেলেই মিলবে মুচমুচে স্ন্যাক্‌সটির খোঁজ

বাইরে সোনালি মুচমুচে পরত, ভিতরে ঝাল-মিষ্টি মটন কিমার পুরু আস্তরণ, আর তার মাঝে আস্ত হাঁসের ডিম। এখনও শহরের কিছু ঠিকানায় গেলে পেতে পারেন এগ ডেভিলের সেই চেনা স্বাদ। পুজোর সময়ে ঘুরে আসতে পারেন শহরের সেই সেরা ঠিকানাগুলিতে, যেখানে আজও ডিমের ডেভিল মানেই নস্টালজিয়া।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০১ অক্টোবর ২০২৬ ১১:৫৮
Best spots for Egg Devil in Kolkata

কলকাতার কোথায় গেলে পাবেন সেরা ডিমের ডেভিলের স্বাদ? ছবি: সংগৃহীত।

তেলেভাজার প্রতি বাঙালির অগাধ ভালবাসা। অফিস ফেরত হালকা খিদে মেটাতেই হোক বা বাড়িতে বন্ধুদের জমায়েত, তেলেভাজা মাস্ট! তবে যত দিন যাচ্ছে পাড়ার দোকানগুলি থেকে একটি তেলেভাজা যেন গায়েব হয়ে যাচ্ছে। দোকানগুলি থেকে আর পাওয়া যাচ্ছে না মুচমুচে ডিমের ডেভিলের সুবাস। নেপথ্যের কারণ হতে পারে মটনের চড়া দাম বা ভাল কারিগরের অভাব।

ব্রিটিশদের স্কচ এগ আর মুঘলদের নার্গিসি কোফতা, দুই ঘরানার মেলবন্ধনেই জন্ম কলকাতার এই আইকনিক তেলেভাজাটির। বাইরে সোনালি রঙের মুচমুচে খোলস, ভিতরে নরম সেদ্ধ ডিম আর ঝাল-মশলাদার মটনের কিমার পুর। এক কামড়েই মুখে যেন ঝাল-নোনতা আর মিষ্টি স্বাদের বিস্ফোরণ। পুজোর সময় ঘুরে আসতে পারেন শহরের সেই সেরা ঠিকানাগুলিতে, যেখানে আজও ডিমের ডেভিল মানেই নস্টালজিয়া।

নিরঞ্জন আগার

সেরা ডিমের ডেভিলের স্বাদ পেতে হলে চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউ ও রামদুলাল সরকার স্ট্র্রিট ক্রসিংয়ের কাছেই নিরঞ্জন আগারে একবার ঢুঁ মারতেই হবে। এই দোকানে ডেভিল বানানো হয় হাঁসের ডিম দিয়ে। হাঁসের ডিমের বাইরে ঝাল-ঝাল, মিষ্টি-মিষ্টি মটন কিমার মোটা পুর। একবার খেলে সেই স্বাদ ভোলার নয়। দাম ৭৫ টাকা।

মিত্র ক্যাফে

১৯১০ সালে দুই বন্ধু সুশীলচন্দ্র রায় ও গণেশ মিত্র মিলে শোভাবাজারের কাছে তৈরি করেছিলেন মিত্র ক্যাফে। একসময়ে উত্তমকুমার থেকে শুরু করে বিকাশ রায়, ছবি বিশ্বাসদের চপ-কাটলেট খাওয়ার ঠিকানা ছিল এই ক্যাফে। এখনকার অনেক তারকারও দোকানটির ভক্ত। তবে এখন কলকাতার উত্তর থেকে দক্ষিণেও ছড়িয়ে রয়েছে এই দোকানের শাখা। ফিশ ফ্রাই, কবিরাজির জন্য বিখ্যাত হলেও এখানকার মটন এগ ডেভিলের স্বাদও বেশ ভাল। ডেভিলে কামড় বসালে মটন কিমার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায় এই ঠিকানায়। দাম ৮০ টাকা।

আপনজন

কালীঘাটের কাছে এই দোকানটি স্থানীয়দের মধ্যে ভাজাভুজির জন্য বেশ বিখ্যাত। তবে এখানকার ডিমের ডেভিলও ভোজনরসিকদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়। কলকাতায় যে ক’টা দোকানে এখনও ভাল মানের ডিমের ডেভিল পাওয়া যায়, আপনজন তার মধ্যে অন্যতম। এই দোকানেও হাঁসের ডিম দিয়ে তৈরি করা হয় ডেভিল। দাম ৭০ টাকা।

এ্যালেন কিচেন

যতীন্দ্রমোহন অ্যাভিনিউ-র এই দোকানটি ঘিয়ে ভাজা প্রণ কাটলেটের জন্য বিখ্যাত হলেও এখানকার মটন ডেভিলটাও খেতে বেশ। তেলে নয় সেই ডেভিল ভাজা হয় ঘিয়ে। তাই আর পাঁচটা ডেভিলের থেকে স্বাদ একটু হলেও আলাদা। শুধু মটন নয়, এখানে মাছের পুর দিয়েও ডেভিল বানানো হয়, সেটাও খেতে মন্দ নয়। দু’টোরই দাম ৯০টাকা।

সিক্স বালিগঞ্জ প্লেস

রাস্তার ধারের খাবার যাঁরা এড়িয়ে যেতে চান, তাঁরা মটন ডেভিলের স্বাদ নিতে ঘুরে আসতে পারেন সিক্স বালিগঞ্জ প্লেস থেকে। এখানকার ডেভিলে হাঁসের গোটা ডিমের সঙ্গে পাবেন ঝাল ঝাল মটন কিমার স্বাদ। বাইরেটা একেবারে মুচমুচে। ঝাঁঝালো কাসুন্দির সঙ্গে সেই ডেভিলের স্বাদের কোনও তুলনা নেই। দাম যদিও অনেকটাই বেশি। দু’টি ডেভিলের দাম এখানে ৪৫৫ টাকা।

সংক্ষেপে
  • লক্ষ্মীপুজো যে কেবল পশ্চিমবঙ্গেই হয় তা নয়, দেশের নানা প্রান্তে হয়, তবে পুজোর আচার ভিন্ন। মহারাষ্ট্রে তা লক্ষ্মী পূজন, গুজরাতে আবার চোপড়া পূজন। ওড়িশায় তা-ই গজলক্ষ্মীর আরাধনা। কোন রাজ্যে কেমন ভাবে লক্ষ্মী পুজো হয়?
  • উত্তমকুমার নিষ্ঠাভরে বাড়ির লক্ষ্মীপুজো করতেন। তাই এই পুজোর নামই হয়ে গিয়েছিল ‘উত্তমকুমারের বাড়ির পুজো’। এখনও এই পুজো এ ভাবেই পরিচিত। পুজোর ঐতিহ্য এবং রীতি নিয়ে আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে আড্ডা দিলেন উত্তম কুমারের ভাইঝি ও নাতনি।
  • সময় করে বসে পুজোর জন্য আলপনা দেওয়া এক প্রকার বন্ধই হয়ে গিয়েছিল। শহরে তো বটেই, মফস্‌সলেও। ইদানীং সমাজমাধ্যমের রিলে হাতপাখা থেকে শুরু করে পুরনো শাড়ি, চায়ের টেবিল থেকে ডায়েরির মলাট কিংবা বসার ঘরের মেঝে, সর্বত্র আলপনা দিচ্ছেন হুজুগে মানুষজন।
Egg Devil Kolkata Street Foods

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy