ছোট হয়ে গিয়েছে চুড়ি? রং চটে গিয়েছে? পুরনো নকশা মনে ধরছে না বলে ফেলে দিতে চাইছেন? পুরনো চুড়িতেই গৃহকোণ সাজতে পারে নতুন রূপে। তা হতে পারে দেওয়ালসজ্জারও উপকরণ। সামান্য আঠা আর সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে বানিয়ে ফেলা যায় নানা জিনিস।
প্রদীপ এবং মোমদানি
একই মাপের ৩–৪টি কাঠের চুড়ি একটির উপর আর একটি বসিয়ে আঠা দিয়ে আটকে নিন। ভিতর মোমবাতি বা মাটির প্রদীপ রাখলে চমৎকার দেখাবে। এ ছাড়া একটি সাধারণ কাচের বাটির গায়ে ভাঙা কাচের রঙিন চুড়ির টুকরো আটকে নিতে পারেন। প্রদীপ জ্বালালে দেওয়ালে রঙিন আলোর নকশা তৈরি হবে।
কলম ও ব্রাশ রাখার পাত্র
একই মাপের ৮–১০টি চুড়ি আঠা দিয়ে একটার উপর আরেকটা জোড়া লাগিয়ে নিন। এরপর একটি শক্ত কার্ডবোর্ড চুড়ির মাপে গোল করে কেটে নিয়ে নীচে সেঁটে দিন। সুন্দর একটি স্ট্যান্ড তৈরি হবে। এটি পড়ার টেবিলে কলম রাখতে, ড্রেসিং টেবিলে মেকআপ ব্রাশ সাজাতে কিংবা রান্নাঘরে চামচ রাখার কাজে ব্যবহার করতে পারেন।
আকর্ষণীয় ল্যাম্প শেড
চুড়ি দিয়ে বানিয়ে ফেলুন ল্যাম্পশেড। ছবি: এ আই দিয়ে তৈরি।
একটি বেলুন ফুলিয়ে রঙিন চুড়িগুলো আঠা দিয়ে তার উপর লাগিয়ে দিন। যেন চুড়ির প্রান্তগুলি একটির সঙ্গে অন্যটি জোড়া লেগে থাকে। আঠা শুকিয়ে গেলে বেলুনটি ফাটিয়ে দিন। চুড়ির একটি আকার তৈরি হবে। ভিতরে একটি বাল্ব ঝুলিয়ে দিলেই ঘরের দেওয়াল ও ছাদে ফুটে উঠবে চোখধাঁধানো আলোর খেলা।
হাতে তৈরি ছবির ফ্রেম
যে কোনও সাধারণ বা পুরনো ছবির ফ্রেমের চারধারে আস্ত চুড়ি কিংবা ভাঙা কাচের চুড়ির টুকরো মোজাইকের মতো আঠা দিয়ে জুড়ে দিন। সাধারণ ফ্রেমটি আকর্ষণীয় দেখাবে।
দেওয়াল সাজানোর ঝুলন্ত শোপিস
পুরনো চুড়ির গায়ে বিভিন্ন রঙের উলের সুতো, সোনালি ফিতে বা পাটের দড়ি শক্ত করে পেঁচিয়ে নিন। এরপর কয়েকটি চুড়ি লম্বালম্বি বা গোল নকশায় জুড়ে দিয়ে নীচে ঝুলিয়ে দিন রঙিন টার্সেল, পুঁতি, চুমকি কিংবা ছোট আয়না। উপরে একটি সুতো বেঁধে দেওয়ালে ঝুলিয়ে দিলে দারুণ দেওয়ালসজ্জা হয়ে উঠবে।