Advertisement
E-Paper

দেশে দেশে পরমাণু অস্ত্রবাহী রাফাল! ‘ফরওয়ার্ড ডিটারেন্স’-এ রাশিয়াকে চমকাবে ইউরোপের নতুন ‘দাদা’ ফ্রান্স?

চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে নতুন করে ইউরোপের উদ্বেগ বাড়ছে কেন? কী এমন হল যে গোটা মহাদেশের নিরাপত্তার স্বার্থে এগিয়ে আসতে হল ফ্রান্সকে?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩০ অক্টোবর ২০২৬ ১৫:৪২
যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব ইউরোপের আকাশে! যে কোনও সময় রাশিয়া আক্রমণ হানতে পারে ইউরোপ জুড়ে। বৈরি হানা থেকে বাঁচতে ইতিমধ্যেই ঘর গোছাতে শুরু করেছে ব্রিটেন-সহ ১০টি ইউরোপীয় দেশ। রুশ হামলার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করার প্রচেষ্টায় ইউরোপীয় মিত্রদের নেতৃত্ব দেওয়ার পথে এগিয়ে এসেছে নেপোলিয়ানের দেশ।
০১ / ১৭

যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব ইউরোপের আকাশে! যে কোনও সময় রাশিয়া আক্রমণ হানতে পারে ইউরোপ জুড়ে। বৈরি হানা থেকে বাঁচতে ইতিমধ্যেই ঘর গোছাতে শুরু করেছে ব্রিটেন-সহ ১০টি ইউরোপীয় দেশ। রুশ হামলার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করার প্রচেষ্টায় ইউরোপীয় মিত্রদের নেতৃত্ব দেওয়ার পথে এগিয়ে এসেছে নেপোলিয়ানের দেশ।

আমেরিকার নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপর খুব একটা ভরসা রাখতে পারছে না ইউরোপের দেশগুলি। আর, এই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই নিরাপত্তা জোরদার করতে এগিয়ে এসেছে ফ্রান্স। সহযোগিতা বাড়িয়ে পারমাণবিক শক্তি হিসেবে নিজেদের ভূমিকা আরও জোরদার ও প্রসারিত করার চেষ্টা করছে দেশটি। মার্কিন পারমাণবিক ছাতার উপর আস্থা কমে আসায় প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়ে প্যারিসের সঙ্গে কাজ শুরু করেছে ১০টি ইউরোপীয় দেশ।
০২ / ১৭

আমেরিকার নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপর খুব একটা ভরসা রাখতে পারছে না ইউরোপের দেশগুলি। আর, এই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই নিরাপত্তা জোরদার করতে এগিয়ে এসেছে ফ্রান্স। সহযোগিতা বাড়িয়ে পারমাণবিক শক্তি হিসেবে নিজেদের ভূমিকা আরও জোরদার ও প্রসারিত করার চেষ্টা করছে দেশটি। মার্কিন পারমাণবিক ছাতার উপর আস্থা কমে আসায় প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়ে প্যারিসের সঙ্গে কাজ শুরু করেছে ১০টি ইউরোপীয় দেশ।

 ইউক্রেন যুদ্ধ এবং আমেরিকার নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়ে টানাপড়েনের জেরে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই আবহে ১০টি ইউরোপীয় দেশের সঙ্গে সহযোগিতায় ‘ফরোয়ার্ড ডিটারেন্স’ বা অগ্রবর্তী প্রতিরোধ কৌশল জোরদার করছে ফ্রান্স। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য, রাশিয়ার সামরিক আগ্রাসন প্রতিহত করা।
০৩ / ১৭

ইউক্রেন যুদ্ধ এবং আমেরিকার নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়ে টানাপড়েনের জেরে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই আবহে ১০টি ইউরোপীয় দেশের সঙ্গে সহযোগিতায় ‘ফরোয়ার্ড ডিটারেন্স’ বা অগ্রবর্তী প্রতিরোধ কৌশল জোরদার করছে ফ্রান্স। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য, রাশিয়ার সামরিক আগ্রাসন প্রতিহত করা।

একই সঙ্গে, মস্কোর সামনে এমন এক কৌশলগত অনিশ্চয়তা তৈরি করা, যাতে সম্ভাব্য হামলার পরিণতি সম্পর্কে রাশিয়াকে সতর্ক থাকতে হয়। ফরওয়ার্ড ডিটারেন্সের কৌশলের আওতায় ইউরোপের মিত্র দেশগুলিতে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম রাফাল যুদ্ধবিমান মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে ফ্রান্সের। পাশাপাশি, গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান আরও বিস্তৃত করা এবং যৌথ সামরিক মহড়া পরিচালনার মতো পদক্ষেপও এই পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত হতে পারে বলে মার্কিন গণমাধ্যম সূত্রে খবর।
০৪ / ১৭

একই সঙ্গে, মস্কোর সামনে এমন এক কৌশলগত অনিশ্চয়তা তৈরি করা, যাতে সম্ভাব্য হামলার পরিণতি সম্পর্কে রাশিয়াকে সতর্ক থাকতে হয়। ফরওয়ার্ড ডিটারেন্সের কৌশলের আওতায় ইউরোপের মিত্র দেশগুলিতে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম রাফাল যুদ্ধবিমান মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে ফ্রান্সের। পাশাপাশি, গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান আরও বিস্তৃত করা এবং যৌথ সামরিক মহড়া পরিচালনার মতো পদক্ষেপও এই পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত হতে পারে বলে মার্কিন গণমাধ্যম সূত্রে খবর।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুসারে, ফ্রান্সের পারমাণবিক প্রতিরোধ ছাতার নীচে আসছে ১০টি দেশ। ব্রিটেন, জার্মানি, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, গ্রিস, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে, সুইডেন এবং ডেনমার্ক। তবে উল্লেখযোগ্য ভাবে, রাশিয়ার সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকিতে থাকা তিনটি বাল্টিক রাষ্ট্র এস্তোনিয়া, লাটভিয়া ও লিথুয়ানিয়া ফ্রান্সের সঙ্গে হাত মেলাতে রাজি হয়নি। অন্য দিকে, ইটালিও এই কর্মসূচিতে যোগ দিতে অস্বীকার করেছে বলে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
০৫ / ১৭

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুসারে, ফ্রান্সের পারমাণবিক প্রতিরোধ ছাতার নীচে আসছে ১০টি দেশ। ব্রিটেন, জার্মানি, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, গ্রিস, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে, সুইডেন এবং ডেনমার্ক। তবে উল্লেখযোগ্য ভাবে, রাশিয়ার সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকিতে থাকা তিনটি বাল্টিক রাষ্ট্র এস্তোনিয়া, লাটভিয়া ও লিথুয়ানিয়া ফ্রান্সের সঙ্গে হাত মেলাতে রাজি হয়নি। অন্য দিকে, ইটালিও এই কর্মসূচিতে যোগ দিতে অস্বীকার করেছে বলে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ফ্রান্সের পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম রাফাল যুদ্ধবিমান। ফ্রান্সের এই কৌশলে এই যুদ্ধবিমানগুলি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে চলেছে বলে মত প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের। রাফাল যুদ্ধবিমান পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম। শুধু তাই নয়, প্রায় সব ধরনের অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র বহন করে উড়তে পারে এবং নিখুঁত নিশানায় হামলা চালাতে পারে এই লড়াকু জেটটি।
০৬ / ১৭

ফ্রান্সের পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম রাফাল যুদ্ধবিমান। ফ্রান্সের এই কৌশলে এই যুদ্ধবিমানগুলি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে চলেছে বলে মত প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের। রাফাল যুদ্ধবিমান পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম। শুধু তাই নয়, প্রায় সব ধরনের অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র বহন করে উড়তে পারে এবং নিখুঁত নিশানায় হামলা চালাতে পারে এই লড়াকু জেটটি।

মাঝ-অক্টোবরে ফ্রান্স ও ব্রিটেন ‘রামি’ নামে একটি যৌথ সামরিক মহড়া চালায়। ২৩ অক্টোবর ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানায়, এই প্রথম ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্সের ইউরোফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমান ফ্রান্সের পারমাণবিক হামলার অনুকরণে পরিচালিত মহড়ায় যোগদান করে। ফরাসি রাফাল যুদ্ধবিমান একটি কাল্পনিক পারমাণবিক হামলা প্রতিহত করার অভিযান অনুশীলন করে এবং ব্রিটিশ টাইফুন বিমানগুলি সেগুলিকে পাহারা দেয়।
০৭ / ১৭

মাঝ-অক্টোবরে ফ্রান্স ও ব্রিটেন ‘রামি’ নামে একটি যৌথ সামরিক মহড়া চালায়। ২৩ অক্টোবর ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানায়, এই প্রথম ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্সের ইউরোফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমান ফ্রান্সের পারমাণবিক হামলার অনুকরণে পরিচালিত মহড়ায় যোগদান করে। ফরাসি রাফাল যুদ্ধবিমান একটি কাল্পনিক পারমাণবিক হামলা প্রতিহত করার অভিযান অনুশীলন করে এবং ব্রিটিশ টাইফুন বিমানগুলি সেগুলিকে পাহারা দেয়।

 রাফালের মতো বহুমুখী যুদ্ধবিমানকে আকাশযুদ্ধ, স্থল ও সমুদ্রের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা এবং বিভিন্ন ধরনের সামরিক অভিযানে ব্যবহার করা যায়। এর একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল, উপযুক্ত সংস্করণে এটি প্রচলিত অস্ত্রের পাশাপাশি পারমাণবিক অস্ত্র বহনেও সক্ষম। ফ্রান্সের পারমাণবিক বিমানভিত্তিক প্রতিরোধ ব্যবস্থায় রাফাল যুদ্ধবিমান ও এএসএমপি-এ ক্ষেপণাস্ত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
০৮ / ১৭

রাফালের মতো বহুমুখী যুদ্ধবিমানকে আকাশযুদ্ধ, স্থল ও সমুদ্রের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা এবং বিভিন্ন ধরনের সামরিক অভিযানে ব্যবহার করা যায়। এর একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল, উপযুক্ত সংস্করণে এটি প্রচলিত অস্ত্রের পাশাপাশি পারমাণবিক অস্ত্র বহনেও সক্ষম। ফ্রান্সের পারমাণবিক বিমানভিত্তিক প্রতিরোধ ব্যবস্থায় রাফাল যুদ্ধবিমান ও এএসএমপি-এ ক্ষেপণাস্ত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

রাফালের মতো বিমানকে সাময়িক ভাবে মিত্র দেশের ঘাঁটি থেকে পরিচালনা করা গেলে তার কার্যকরী পরিসর ও সামরিক নমনীয়তা বাড়তে পারে। তবে, নির্দিষ্ট বিমানঘাঁটি থেকে কত দূর পর্যন্ত অভিযান চালানো যাবে, তা নির্ভর করে বিমানের সংস্করণ, অস্ত্র, জ্বালানি, আকাশে জ্বালানি ভরার সুবিধা এবং অন্যান্য পরিস্থিতির উপর। এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হল, ইউরোপের একাধিক স্থানে ফরাসি সামরিক সক্ষমতা ছড়িয়ে দিয়ে রাশিয়ার পক্ষে সম্ভাব্য সংঘাতের সামরিক হিসেব কষার প্রক্রিয়া আরও কঠিন করে তোলা।
০৯ / ১৭

রাফালের মতো বিমানকে সাময়িক ভাবে মিত্র দেশের ঘাঁটি থেকে পরিচালনা করা গেলে তার কার্যকরী পরিসর ও সামরিক নমনীয়তা বাড়তে পারে। তবে, নির্দিষ্ট বিমানঘাঁটি থেকে কত দূর পর্যন্ত অভিযান চালানো যাবে, তা নির্ভর করে বিমানের সংস্করণ, অস্ত্র, জ্বালানি, আকাশে জ্বালানি ভরার সুবিধা এবং অন্যান্য পরিস্থিতির উপর। এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হল, ইউরোপের একাধিক স্থানে ফরাসি সামরিক সক্ষমতা ছড়িয়ে দিয়ে রাশিয়ার পক্ষে সম্ভাব্য সংঘাতের সামরিক হিসেব কষার প্রক্রিয়া আরও কঠিন করে তোলা।

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের মহড়ার কারণ রাশিয়ার মতো প্রতিপক্ষকে সোজাসুজি বার্তা দেওয়া। প্রতিপক্ষকে বোঝানো যে ইউরোপের যে কোনও দেশে হামলা করলে, ভয়াবহ পাল্টা আঘাতের মুখে পড়তে হতে পারে। আর, এখানেই ফ্রান্সের রাফাল যুদ্ধবিমান ইউরোপের নিরাপত্তা কৌশলে নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে। রাশিয়ার সামরিক হুমকি নিয়ে উদ্বেগ, আমেরিকার নিরাপত্তা-প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে অনিশ্চয়তা এবং ইউরোপের নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজন — সব মিলিয়েই ভেবেচিন্তে পদক্ষেপ করছে ম্যাক্রোঁ সরকার।
১০ / ১৭

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের মহড়ার কারণ রাশিয়ার মতো প্রতিপক্ষকে সোজাসুজি বার্তা দেওয়া। প্রতিপক্ষকে বোঝানো যে ইউরোপের যে কোনও দেশে হামলা করলে, ভয়াবহ পাল্টা আঘাতের মুখে পড়তে হতে পারে। আর, এখানেই ফ্রান্সের রাফাল যুদ্ধবিমান ইউরোপের নিরাপত্তা কৌশলে নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে। রাশিয়ার সামরিক হুমকি নিয়ে উদ্বেগ, আমেরিকার নিরাপত্তা-প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে অনিশ্চয়তা এবং ইউরোপের নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজন — সব মিলিয়েই ভেবেচিন্তে পদক্ষেপ করছে ম্যাক্রোঁ সরকার।

তবে ম্যাক্রোঁ স্পষ্ট করেছেন, ‘ফরওয়ার্ড ডিটারেন্স’ ব্যবস্থায় ফ্রান্স তার পরমাণু অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ বা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত অন্য দেশের হাতে তুলে দেবে না। মিত্র দেশগুলি সামরিক মহড়া, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, আগাম সতর্কতা এবং প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিতে অংশ নিতে পারে। কিন্তু, পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ার ক্ষমতা প্যারিসের কাছেই থাকবে।
১১ / ১৭

তবে ম্যাক্রোঁ স্পষ্ট করেছেন, ‘ফরওয়ার্ড ডিটারেন্স’ ব্যবস্থায় ফ্রান্স তার পরমাণু অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ বা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত অন্য দেশের হাতে তুলে দেবে না। মিত্র দেশগুলি সামরিক মহড়া, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, আগাম সতর্কতা এবং প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিতে অংশ নিতে পারে। কিন্তু, পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ার ক্ষমতা প্যারিসের কাছেই থাকবে।

অন্য দিকে, ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের মধ্যেই ব্রিটেন সে দেশের নাগরিকদের খাবার, জল ও জরুরি সামগ্রী মজুত করার পরামর্শ দিয়েছে। আবহাওয়াজনিত বিপর্যয়, সাইবার হামলা কিংবা অন্য কোনও গুরুতর জরুরি পরিস্থিতিতে যাতে পরিবারগুলি অন্তত তিন দিন নিজেদের সামলে নিতে পারে, সেই লক্ষ্যেই ব্রিটিশ সরকারের এই নতুন নির্দেশিকা। নির্দেশিকায় প্রত্যেক নাগরিককে প্রায় ৯ লিটার পানীয় জল এবং তিন দিনের জন্য পর্যাপ্ত খাবার মজুত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
১২ / ১৭

অন্য দিকে, ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের মধ্যেই ব্রিটেন সে দেশের নাগরিকদের খাবার, জল ও জরুরি সামগ্রী মজুত করার পরামর্শ দিয়েছে। আবহাওয়াজনিত বিপর্যয়, সাইবার হামলা কিংবা অন্য কোনও গুরুতর জরুরি পরিস্থিতিতে যাতে পরিবারগুলি অন্তত তিন দিন নিজেদের সামলে নিতে পারে, সেই লক্ষ্যেই ব্রিটিশ সরকারের এই নতুন নির্দেশিকা। নির্দেশিকায় প্রত্যেক নাগরিককে প্রায় ৯ লিটার পানীয় জল এবং তিন দিনের জন্য পর্যাপ্ত খাবার মজুত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তন, প্রযুক্তির উপর ক্রমবর্ধমান নির্ভরতা এবং শত্রুভাবাপন্ন রাষ্ট্রের সম্ভাব্য হুমকি নিয়ে সরকারের উদ্বেগ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ব্রিটিশদের ‘বি রেডি’ থাকতে পরামর্শ দিয়েছেন সে দেশের প্রতিরক্ষা সচিব ওয়েস স্ট্রিটিং। অন্তত ৭২ ঘণ্টা স্বনির্ভর থাকার মতো প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রস্তুত রাখতে বলেছেন তিনি। আর, এখানেই শঙ্কা বাড়ছে বাকি দেশগুলির।
১৩ / ১৭

জলবায়ু পরিবর্তন, প্রযুক্তির উপর ক্রমবর্ধমান নির্ভরতা এবং শত্রুভাবাপন্ন রাষ্ট্রের সম্ভাব্য হুমকি নিয়ে সরকারের উদ্বেগ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ব্রিটিশদের ‘বি রেডি’ থাকতে পরামর্শ দিয়েছেন সে দেশের প্রতিরক্ষা সচিব ওয়েস স্ট্রিটিং। অন্তত ৭২ ঘণ্টা স্বনির্ভর থাকার মতো প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রস্তুত রাখতে বলেছেন তিনি। আর, এখানেই শঙ্কা বাড়ছে বাকি দেশগুলির।

একটি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে এসে সরাসরি তিনি জানান, রাশিয়া-সহ অন্যান্য শত্রুভাবাপন্ন রাষ্ট্রের মদতপুষ্ট শক্তিগুলি দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোকে লক্ষ্য করে হামলা চালাতে পারে। এই ধরনের সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলার জন্যও ব্রিটেনকে আগাম প্রস্তুতি নিতে হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
১৪ / ১৭

একটি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে এসে সরাসরি তিনি জানান, রাশিয়া-সহ অন্যান্য শত্রুভাবাপন্ন রাষ্ট্রের মদতপুষ্ট শক্তিগুলি দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোকে লক্ষ্য করে হামলা চালাতে পারে। এই ধরনের সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলার জন্যও ব্রিটেনকে আগাম প্রস্তুতি নিতে হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

ইউরোপের নিরাপত্তার প্রধান কাঠামো এখনও আমেরিকার ক্রীড়ানক নেটো-র হাতেই। আমেরিকার পারমাণবিক প্রতিরোধ দীর্ঘ দিন ধরে এই জোটের নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু, আমেরিকার ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা-প্রতিশ্রুতি নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ায় ফ্রান্স ইউরোপীয় দেশগুলির সঙ্গে নিজস্ব প্রতিরোধ ব্যবস্থার সমন্বয় বাড়াতে চাইছে বলে মনে করছেন অনেকেই।
১৫ / ১৭

ইউরোপের নিরাপত্তার প্রধান কাঠামো এখনও আমেরিকার ক্রীড়ানক নেটো-র হাতেই। আমেরিকার পারমাণবিক প্রতিরোধ দীর্ঘ দিন ধরে এই জোটের নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু, আমেরিকার ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা-প্রতিশ্রুতি নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ায় ফ্রান্স ইউরোপীয় দেশগুলির সঙ্গে নিজস্ব প্রতিরোধ ব্যবস্থার সমন্বয় বাড়াতে চাইছে বলে মনে করছেন অনেকেই।

কারণ, সম্প্রতি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। ইউক্রেন যুদ্ধ ঘিরে আমেরিকা-রাশিয়া টানাপড়েনের মধ্যেই মস্কোয় বৈঠক হয় দু’জনের। সেই বৈঠকে ট্রাম্পের সঙ্গে তুলনা টেনে পুতিনকে ‘মানবিক’ বলে প্রশংসায় ভরিয়ে দেন ট্রাম্পের আস্থাভাজন স্টিভ। আর, এর পরই মস্কো-ওয়াশিংটনের সম্পর্কের সমীকরণের গতিপ্রকৃতি নিয়ে  সন্দেহ প্রকাশ করে ইউরোপের দেশগুলি।
১৬ / ১৭

কারণ, সম্প্রতি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। ইউক্রেন যুদ্ধ ঘিরে আমেরিকা-রাশিয়া টানাপড়েনের মধ্যেই মস্কোয় বৈঠক হয় দু’জনের। সেই বৈঠকে ট্রাম্পের সঙ্গে তুলনা টেনে পুতিনকে ‘মানবিক’ বলে প্রশংসায় ভরিয়ে দেন ট্রাম্পের আস্থাভাজন স্টিভ। আর, এর পরই মস্কো-ওয়াশিংটনের সম্পর্কের সমীকরণের গতিপ্রকৃতি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে ইউরোপের দেশগুলি।

তবে, ভূ-রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা, রাশিয়ার বিরুদ্ধে অবিলম্বে পারমাণবিক হামলা চালানো প্যারিসের লক্ষ্য নয়। বরং, সম্ভাব্য হামলাকে এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলা, যাতে মস্কো সামরিক সংঘাতে যাওয়ার আগে একাধিক বার চিন্তা করতে বাধ্য হয়। তবে, এই প্রতিরোধ কৌশল কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করবে ফ্রান্সের প্রতিশ্রুতির বিশ্বাসযোগ্যতা, মিত্র দেশগুলির সহযোগিতা এবং রাশিয়ার প্রতিক্রিয়ার উপর।
১৭ / ১৭

তবে, ভূ-রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা, রাশিয়ার বিরুদ্ধে অবিলম্বে পারমাণবিক হামলা চালানো প্যারিসের লক্ষ্য নয়। বরং, সম্ভাব্য হামলাকে এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলা, যাতে মস্কো সামরিক সংঘাতে যাওয়ার আগে একাধিক বার চিন্তা করতে বাধ্য হয়। তবে, এই প্রতিরোধ কৌশল কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করবে ফ্রান্সের প্রতিশ্রুতির বিশ্বাসযোগ্যতা, মিত্র দেশগুলির সহযোগিতা এবং রাশিয়ার প্রতিক্রিয়ার উপর।

সব ছবি: সংগৃহীত।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও গ্যালারি

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy