রঞ্জি ট্রফির প্রথম ম্যাচে ভাল খেলেছিলেন। তার পরেও নিউ জ়িল্যান্ড সফরে ডাক পাননি। রবিবার থেকে শুরু হওয়া সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে বাংলার দ্বিতীয় রঞ্জি ম্যাচে খেললেন না মহম্মদ শামি। তাঁর অনুপস্থিতি নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। দিনের শেষে তার জবাব দিয়েছেন বাংলার কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্ল। এ দিকে, অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ জানিয়েছেন, এখনও জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন দেখেন তিনি।
রবিবার বাংলার প্রথম একাদশে শামিকে না দেখে অনেকেই অবাক হন। প্রশ্ন ওঠে, তাঁর কোনও চোট রয়েছে কি না। প্রথম দিনের খেলা শেষে লক্ষ্মীরতন অবশ্য বলেছেন, “শামি ফিট। ওকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। দিল্লির বিরুদ্ধে আগের ম্যাচে অনেক ওভার বল করেছে। ও নিজেই বিশ্রাম চেয়েছিলাম। শামি আসলে চিতাবাঘ। ও বিশ্রাম নেওয়ায় নতুনদের খেলানোর সুযোগও পেয়েছি।” যদিও আকাশদীপ এবং মুকেশ কুমারের মতো বোলার না থাকায় কেন শামিকে বিশ্রাম দেওয়া হল, তা নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেননি লক্ষ্মীরতন।
এ দিকে, ঘরোয়া ক্রিকেটে ৮০০০-এর উপর রান রয়েছে অভিমন্যুর। বাংলা এবং ভারত এ দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সিনিয়র টেস্ট দলের সদস্য থাকলেও আজ পর্যন্ত জাতীয় দলের জার্সি পরা হয়নি তাঁর। ৩১ বছরের অভিমন্যু অবশ্য এখনও স্বপ্ন দেখেন জাতীয় দলের হয়ে খেলার।
এ দিন বলেছেন, “ক্রিকেট খেলা শুরু করার পর থেকেই ভারতের হয়ে খেলা আমার স্বপ্ন। তার আগে বাংলার হয়ে খেলতে চেয়েছিলাম। কারণ ওটাই শিকড়। রাজ্য দলকে নেতৃত্ব দিতে পেরে খুশি।”
আরও পড়ুন:
-
নেপালের লিগে খেলতে চেয়ে বোর্ডের কাছে আবেদন বিতর্কিত রিজ়ওয়ানের, নকভিরা পাল্টা নির্দেশ দিলেন ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার
-
সপ্তমীর সন্ধ্যায় গোয়ায় চার্চিলকে ৪ গোলে ওড়াল ইস্টবেঙ্গল, জিতে আইএসএল শুরু করলেও গোল নষ্টের রোগ চলছেই
-
ঘূর্ণি পিচে ব্যর্থ বাংলার ব্যাটিং, প্রথম ইনিংস শেষ ১৮৪ রানে, পাল্টা সার্ভিসেসের পাঁচ উইকেট ফেলে ম্যাচে ফিরলেন প্রদীপ্তেরা
ভারতের হয়ে না খেলতে পারা কি তাঁকে দুঃখ দেয়? অভিমন্যু বলেছেন, “আমি ভাবি না। ওটা জীবনেরই অংশ। বিশেষ কিছু বলার নেই। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সকলেই শিক্ষা নেয়। দল থেকে বাদ পড়লে মনে হতেই পারে, ‘কেন বাদ পড়লাম’? কিন্তু এক সময় সেটার সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয়। আমার কাজ হল যাদের হয়েই খেলছি তাদের হয়ে ভাল খেলা।” অভিমন্যু জানিয়েছেন, এ বার রঞ্জি জেতাই তাঁর আসল লক্ষ্য।