টানা তিন দিন বৃষ্টিতে পিচ ঢাকা ছিল। ফলে সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে বাংলার ম্যাচে স্পিনারেরা যে সাহায্য পাবেন, তা বোঝাই গিয়েছিল। প্রথম দিনের খেলা শেষ সেটাই হয়েছে। দুই দলের স্পিনারেরাই সাফল্য পেয়েছেন। বাংলার প্রথম ইনিংস শেষ হয়েছে ১৮৪ রানে। জবাবে সার্ভিসেসও ৫ উইকেট হারিয়েছে ৮৩ রানে।
টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলা। শুরুতেই ওপেনার অঙ্কুর পাল (৪) ফিরে যান। দ্বিতীয় উইকেটে অভিমন্যু ঈশ্বরণ এবং সুদীপ ঘরামি মিলে বাংলাকে দাঁড় করান। দু’জনেই সময় নিয়ে খেলছিলেন। তাড়াহুড়োর রাস্তায় হাঁটেননি। তবে ২৫তম ওভারে সুদীপ (৩৮) ফিরতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলার ব্যাটিং।
মধ্যাহ্নভোজের বিরতির আগেই ৫ উইকেট হারায় বাংলা। ফিরে যান সুদীপ চট্টোপাধ্যায় (৩), অভিষেক পোড়েল (৭) এবং শাহবাজ় আহমেদ (০)। শাহবাজ় প্রথম বলেই আউট হন। অর্ধশতরান করে ফিরে যান অভিমন্যুও (৫৬)। পরের দিকে সুমন্ত গুপ্ত (২৮) এবং সূরজ সিন্ধু জয়সবালের (অপরাজিত ২২) সৌজন্যে দেড়শো রানের গন্ডি পেরিয়ে যায় বাংলা। বিপক্ষের যে বোলারকে নিয়ে বাংলার সবচেয়ে ভয় ছিল, সেই অফস্পিনার পুলকিত নারাং ৬৩ রানে ৫ উইকেট নেন। অর্জুন শর্মা ৩টি এবং রাহুল সিংহ ২টি উইকেট পান।
সার্ভিসের শুভম রোহিল্লা এবং নিতিন তনওয়ার ধীরে শুরু করেছিলেন। রোহিল্লা (১৭) ফিরতেই সার্ভিসেসের ইনিংসেও ধস নামে। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে তারা। পর পর ফিরে যান তনওয়ার (১৬), রবি চৌহান (১), বিনীত ধনখড় (৩), নকুল শর্মা (১০)। ক্রিজে রয়েছেন রজত পালিওয়াল (২৩) এবং দেবেন্দ্র লোচাব (৩)। বাংলার প্রদীপ্ত প্রামাণিক ১৬ রানে ২টি এবং আমির গনি ২৪ রানে ২টি উইকেট নিয়েছেন। একটি উইকেট শাহবাজ়ের।
আরও পড়ুন:
-
অখ্যাত স্পিনারের বলে বোকা বনে বোল্ড, রঞ্জি ট্রফিতে দুঃস্বপ্নের প্রত্যাবর্তন শুভমনের, শুরু সমালোচনা
-
ঈশানের উত্থানে বদলেছে ব্যাটিং পজিশন, পছন্দ না হলেও অভিযোগ করছেন না তিলক, এখন নিজেকে ফিনিশার হিসাবে গড়তে চান
-
চার মিনিটে জোড়া গোল মেসির, পায়ের জাদুতে বোকা বানালেন বিপক্ষকে, আমেরিকার লিগে আটলান্টাকে হারাল মায়ামি
দিনের খেলা শেষে অভিমন্যু বলেছেন, “শুকনো পিচ। তাই রান করা এবং ক্রিজে টিকে থাকা বেশ মুশকিল। তার মধ্যেও আমরা ভাল খেলেছি। আরও ভাল খেলা উচিত ছিল। ২৫০-র মতো রান তোলা উচিত ছিল। তবে বোলারেরা যে ভাবে ম্যাচে ফিরেছে সেটা দেখে ভাল লাগছে।”