বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউ জ়িল্যান্ড ও ভারত। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার জন্য আগামী কয়েক মাসে চারটি সিরিজ় খেলতে হবে অস্ট্রেলিয়াকে। তার প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছে তারা। লাল বলের ক্রিকেটে অভিজ্ঞতাকেই গুরুত্ব দিচ্ছে তারা।
গৌতম গম্ভীর কোচ হওয়ার পর ভারতীয় দলে তারুণ্যের উপর জোর দিয়েছেন তিনি। লাল বলের ক্রিকেট থেকে একে একে রবিচন্দ্রন অশ্বিন, বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, অজিঙ্ক রাহানেরা অবসর নিয়েছেন। চেতেশ্বর পুজারা ও মহম্মদ শামি অতীত। তার ফল পাচ্ছে ভারত। পর পর সিরিজ় হেরে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার অঙ্ক কঠিন করে ফেলেছেন শুভমন গিলেরা। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া বাজি ধরেছে ‘বুড়ো’ ঘোড়াদের উপর।
জানুয়ারি মাসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ সিরিজ় খেলেছিল অস্ট্রেলিয়া। দীর্ঘ বিরতির পর সামনে একের পর এক টেস্ট সিরিজ় রয়েছে। বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউ জ়িল্যান্ড ও ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজ়ে পর রয়েছে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল। আপাতত অস্ট্রেলিয়া পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষে রয়েছে। ফলে তাদের ফাইনাল খেলার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। তার পর রয়েছে অ্যাশেজ় সিরিজ়।
আরও পড়ুন:
গত অ্যাশেজ়ে চোট সমস্যায় ভুগেছিল অস্টেলিয়া। ৩৩ বছরের অধিনায়ক প্যাট কামিন্স মাত্র একটি টেস্ট খেলেছিলেন। ৩৫ বছরের জশ হেজ়লউড পুরো সিরিজ় খেলতে পারেননি। ৩৮ বছরের নেথান লায়ন সিরিজ়ের মাঝে ছিটকে যান। ৩৬ বছরের মিচেল স্টার্ক ও ৩৭ বছরের স্কট বোলান্ডকে পুরো সিরিজ়ে দায়িত্ব সামলাতে হয়েছিল।
পাঁচ বোলারই এখন পুরো সুস্থ। তাই তাঁদের উপরেই ভরসা করছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। তবে পাঁচ জনই একসঙ্গে খেলতে পারবেন না। সে ক্ষেত্রে বোলান্ডকেই হয়তো বাইরে বসতে হবে। অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাচক জর্জ বেইলি এই পাঁচ ক্রিকেটারকে ‘দ্য ওল্ড গ্রুপ’ বা বয়স্কদের দল বলে ডাকেন।
কেন এই পাঁচ জনের উপরেই তাঁরা ভরসা করছেন, তার কারণও জানিয়েছেন বেইলি। তিনি বলেন, “টেস্ট সম্পূর্ণ অন্য খেলা। এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল অভিজ্ঞতা। পরিস্থিতি অনুযায়ী নিজেকে বদলে ফেলতে হয়। সেই দক্ষতা দীর্ঘ ক্রিকেট না খেললে আসে না। এই ক্রিকেটারেরা আমাদের অতীতে প্রচুর সাফল্য এনে দিয়েছে। তাই ওদের উপরেই ভরসা রেখেছি।”