ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সাদা বলের সিরিজ়ে বেশ কিছু নতুন নাম অস্ট্রেলিয়া দলে। বাদ পড়েছেন প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক ও জশ হেজ়লউড। বোঝা যাচ্ছে, তরুণদের দিকে ঝুঁকছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ড। সাউথ আফ্রিকার কাছে টেস্ট সিরিজ়ে হারের পরেই এই বদল হয়েছে দলে।
হতে পারে সাদা বলের সিরিজ়, কিন্তু কামিন্সের মতো বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ককে বাদ দেওয়ার অর্থ, পারফর্ম না করতে পারলে আর সুযোগ দেওয়া হবে না। স্টার্ক, হেজ়লউডদেরও একই বার্তা দিয়ে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ড।
মাহলি বিয়ার্ডম্যান, জেক এডওয়ার্ডস, লিয়াম স্কট, ওলি পিক, নিখিল চৌধরী, জেক ফ্রেজ়ার-ম্যাকগার্কদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে ইংল্যান্ড সিরিজ়ে। লাশলন শ ও স্যাম হার্পারের মতো তরুণ উইকেটরক্ষকও সুযোগ পেয়েছেন। এক দিন ও টি-টোয়েন্টি দুই দলেরই অধিনায়ক মিচেল মার্শ।
অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাচক জর্জ বেইলি জানিয়েছেন, কেন এত নতুন মুখ দলে। তিনি বলেন, “এক দিন ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে আমাদের আরও ক্রিকেটার তুলে আনতে হবে। সেই কারণেই তরুণদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ওরা নিজেদের প্রমাণ করার একটা সুযোগ পাবে।”
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে ১৩ থেকে ১৮ নভেম্বর তিনটি এক দিনের ম্যাচ খেলবে অস্ট্রেলিয়া। তার পর পাঁচটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সিরিজ় হবে।
আরও পড়ুন:
দীর্ঘ দিন ধরে অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণ সামলেছেন কামিন্স, স্টার্ক ও হেজ়লউড। টি-টোয়েন্টিতে কম হলেও টেস্টের পাশাপাশি এক দিনের দলেও নিয়মিত ছিলেন তাঁরা। কিন্তু এ বার ২০২৭ সালের এক দিনের বিশ্বকাপের দিকে তাকাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ড। সেই কারণেই তরুণদের তৈরি রাখতে চাইছে তারা।
ট্রেভিস হেড, অ্যালেক্স ক্যারে, ম্যাট রেনশ, জশ ইংলিস, কুপার কোনোলি, ক্যামেরন গ্রিনদের এক দিনের দলে নেওয়া হলেও টি-টোয়েন্টি দলে রাখা হয়নি। বোঝা যাচ্ছে, ছোট ফরম্যাটের জন্য সম্পূর্ণ আলাদা দল তৈরি করতে চাইছে অস্ট্রেলিয়া। সেখানে অভিজ্ঞতার তুলনায় তারুণ্যকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।