Advertisement
E-Paper

দলীপ ট্রফির ফাইনালে পূর্বাঞ্চল, ভারতীয় দলে ব্রাত্য শামি-মুকেশের দাপটে পাটীদারের মধ্যাঞ্চলকে হারালেন ঈশানেরা

দু’দলেরই প্রথম ইনিংস শেষ হয় ২৬৬ রানে। এর পর দ্বিতীয় ইনিংসে প্রত্যাশা অনুযায়ী ব্যাট করতে পারেননি রজত পাটীদারেরা। মধ্যাঞ্চলের দ্বিতীয় ইনিংস শেষ হয় ১৫৮ রানে। জবাবে পূর্বাঞ্চল ৬ উইকেটে ১৬২ রান তুলে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৯:০৬
Picture of Cricket

(বাঁ দিকে) মহম্মদ শামি এবং ঈশান কিশন (ডান দিকে)। ছবি: পিটিআই।

মধ্যাঞ্চলের বিরুদ্ধে দলীপ ট্রফির সেমিফাইনালে ভাল জায়গায় থেকেও প্রথম ইনিংসে এগোতে পারেনি পূর্বাঞ্চল। ম্যাচের দ্বিতীয় দিনের শেষে আবার ঈশান কিশনের দলকে সুবিধাজনক জায়গায় এনে দেন ভারতীয় দলে ব্রাত্য হয়ে পড়া বাংলার দুই জোরে বোলার মহম্মদ শামি এবং মুকেশ কুমার। তাঁরাই ম্যাচের তৃতীয় দিন সকালে জয়ের আশা তৈরি করেন। দ্বিতীয় সুযোগ আর নষ্ট করেননি পূর্বাঞ্চলের ব্যাটারেরা। ৪ উইকেটে জিতে দলীপ ট্রফির ফাইনালে চলে গেল পূর্বাঞ্চল।

দু’দলেরই প্রথম ইনিংস শেষ হয় ২৬৬ রানে। এর পর দ্বিতীয় ইনিংসে প্রত্যাশা অনুযায়ী ব্যাট করতে পারেননি পাটীদারেরা। দ্বিতীয় দিনের শেষে মধ্যাঞ্চলের দ্বিতীয় ইনিংসের রান ছিল ৩ উইকেটে ৪৫। সেখান থেকে তাদের ইনিংস শেষ হয় ১৫৮ রানে। আগের দিন অপরাজিত থাকা আমান মোখাদে ৪১ রান করেন। আর এক অপরাজিত ব্যাটার আরিয়ান পান্ডেকে দ্রুত ফিরিয়ে দেন অভিজিৎ সরকার। এর পর নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারিয়েছে মধ্যাঞ্চল। যশ রাঠৌর (৫), রিঙ্কু সিংহ (২০), হর্ষ দুবে (২৪), সারাংশ জৈনেরা (১) দলকে ভরসা দিতে পারেননি। এর মধ্যে নিজের বলেই দুরন্ত ক্যাচ ধর হর্ষকে আউট করেন শামি। তাঁর ফিটনেস নিয়ে যাঁরা প্রশ্ন তুলছেন, সেই সমালোচকেরা বোধহয় জবাব পেয়ে গেলেন। শেষ দিকে কিছুটা লড়াই করেন আর্শাদ খান (২৫)। পূর্বাঞ্চলের বোলারদের মধ্যে সফলতম মুকেশ ৪৪ রানে ৪ উইকেট নেন। ৫৬ রানে ৩ উইকেট শামির। ১টি করে উইকেট নিয়েছেন অভিজিৎ, অনুকূল রায় এবং মহম্মদ কৌনাইন কুরেশি।

পাটীদারদের ইনিংস ১৫৮ রানে শেষ হওয়ার পর জয়ের জন্য পূর্বাঞ্চলের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৫৯ রান। অভিমন্যু ঈশ্বরণ-বৈভব সূর্যবংশী জুটি ভাল শুরু করলেও এক সময় পর পর উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে যায় ঈশানের দল। তবে শেষ পর্যন্ত জয় পেতে অসুবিধা হয়নি। ঈশ্বরণ (২৪) এবং বৈভবের (৪০) পর ভরসা দিতে পারেননি বিরাট সিংহ (১২)। কুমার কুশাগ্র (২২), অনুকূল (০), সুদীপ ঘরামীরা (১৪) তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে উইকেট ছুড়ে দিলেন। তবে ২২ গজের এক প্রান্ত আগলে রেখেছিলেন অধিনায়ক ঈশান। ৩৯ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। শেষে তাঁর সঙ্গে পিচে ছিলেন শামি (অপরাজিত ৮)। শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে ১৬২ রান তুলে এক দিন বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে নেয় পূর্বাঞ্চল। মধ্যাঞ্চলের সফলতম বোলার হর্ষ ৫৩ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন। ১টি করে উইকেট সারাংশ এবং যশ ঠাকুরের।

Duleep Trophy East Zone Mohammed Shami Mukesh Kumar Ishan Kishan

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy