Advertisement
E-Paper

স্মৃতির সঙ্গে হাতই মেলালেন না হরমনপ্রীত, ভিডিয়ো প্রকাশ্যে, দুই ক্রিকেটারের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে জল্পনা

স্মৃতি মন্ধানার সঙ্গে হরমনপ্রীত কৌরের সম্পর্ক কি সত্যিই আর আগের মতো নেই? সাম্প্রতিক একটি ভিডিয়ো ঘিরে আবার দু’জনের সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। ভিডিয়োয় কী দেখা গিয়েছে?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৯ অক্টোবর ২০২৬ ১৮:২৯
cricket

স্মৃতি মন্ধানা। — ফাইল চিত্র।

স্মৃতি মন্ধানার সঙ্গে হরমনপ্রীত কৌরের সম্পর্ক কি সত্যিই আর আগের মতো নেই? সাম্প্রতিক একটি ভিডিয়ো ঘিরে আবার দু’জনের সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, স্মৃতির সঙ্গে হাতই মেলাননি হরমনপ্রীত। তিনি অন্য দিকে চলে গিয়েছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারত বনাম জ়িম্বাবোয়ে তৃতীয় এক দিনের ম্যাচের পর। ভারতীয় ক্রিকেটারেরা একে অপরের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছিলেন। স্মৃতি সাজঘরের দিকে যাচ্ছিলেন। উল্টো দিক থেকে আসছিলেন হরমনপ্রীত। প্রাক্তন অধিনায়কের সঙ্গে হাত মেলানোর আগে হঠাৎই অন্য দিকে তাকাতে দেখা গিয়েছে স্মৃতিকে। সেই সময় উল্টো দিক থেকে আসা হরমনপ্রীত স্মৃতিকে অগ্রাহ্য করে পরের ক্রিকেটারের সঙ্গে হাত মেলাতে এগিয়ে গিয়েছেন। একটু পরেই স্মৃতি আবার সতীর্থদের দিকে তাকান এবং হরমনপ্রীতের পিছনে থাকা দীপ্তি শর্মার সঙ্গে হাত মেলান।

প্রশ্ন উঠছে, স্মৃতি কি ইচ্ছে করে হরমনপ্রীত আসার আগে অন্য দিকে তাকিয়েছিলেন? না কি হরমনপ্রীত স্মৃতিকে অন্য দিকে তাকাতে দেখে তাঁর সঙ্গে হাত মেলাননি? কোনও প্রশ্নের উত্তরই পাওয়া যায়নি।

গত ৬ অক্টোবর ভারতের মহিলা দলের সব ধরনের ফরম্যাটের অধিনায়কের পদ থেকে ইস্তফা দেন হরমনপ্রীত। তার কয়েক ঘণ্টা পরেই স্মৃতিকে অধিনায়ক করে ভারতীয় বোর্ড। তার পরের দিন নতুন তথ্য প্রকাশ্যে আসে। শোনা যায়, দুই ক্রিকেটারের মধ্যে মুখ দেখাদেখি বন্ধ। দলের মধ্যেও নাকি বিভাজন তৈরি হয়েছে।

সংবাদসংস্থা পিটিআই ভারতীয় দলের এক সূত্রকে উদ্ধৃত করে। ওই সূত্র বলেন, “এখন ওদের মধ্যে মুখ দেখাদেখি বন্ধ। ফলে দলের মধ্যেও একটা অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।” শোনা যায়, স্মৃতি অনেক দিন ধরেই নেতৃত্ব চাইছিলেন। কিন্তু নির্বাচকেরা সেই ব্যাপারে খুব একটা তাপউত্তাপ দেখাচ্ছিলেন না। ভারতকে প্রথম বার আইসিসি ট্রফি জেতানো হরমনপ্রীতেই ভরসা রেখেছিলেন সকলে, যা রাগিয়ে দিয়েছিল স্মৃতিকে। মুখে কিছু না বললেও ভেতরে ভেতরে তিনি খুশি ছিলেন না।

ভারত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নকআউটে হারের পর ফাটল তীব্র হয়। নির্বাচকেরাও মনে করেন, ৩৭ বছরের হরমনপ্রীতের বদলে এ বার দলে নতুন নেতার প্রয়োজন রয়েছে। হরমনপ্রীতকে টেস্ট এবং এক দিনের দলের নেতৃত্ব রেখে টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছেড়ে দিতে বলা হয়। তিনি রাজি হননি। সব ফরম্যাটেরই দায়িত্ব ছাড়ার কথা বলেন। তা মেনে নেন নির্বাচকেরা। হাতের সামনে স্মৃতি ছিলেনই। তাঁকেই অধিনায়ক করা হয়।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার পর প্রাক্তন অধিনায়ক মিতালি রাজ বলেছিলেন, “আমার মনে হয় দু’-তিন বছর আগেই স্মৃতিকে এক দিনের দলের অধিনায়ক করা উচিত ছিল। হরমনপ্রীত টেস্ট এবং এক দিনের দলের অধিনায়ক হলেও টি-টোয়েন্টি নেতৃত্ব যাওয়া উচিত শেফালি বর্মার মতো তরুণ ক্রিকেটারের হাতে।”

উল্লেখ্য, বছর চারেক আগে মিতালির থেকে এক দিনের ক্রিকেটের দায়িত্বভার গ্রহণের সময়েও হরমনপ্রীতের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছিল। দুই ক্রিকেটারের সম্পর্ক নিয়ে অনেক চর্চা হয়। এ বারও অধিনায়ক বদলের ক্ষেত্রে একই জিনিস দেখা গিয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, যদি স্মৃতির সঙ্গে মুখ দেখাদেখিই বন্ধ হয় তা হলে তাঁর অধীনে কী ভাবে খেলবেন হরমনপ্রীত? অনেকেই অদূর ভবিষ্যতে হরমনপ্রীতের অবসরের সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছেন।

Smriti Mandhana Harmanpreet Kaur

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy