অবশেষে স্বস্তি পেয়েছেন শ্রেয়স আয়ার। অবশেষে জিতেছেন তিনি। ভারতের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসাবে শুরুতে পর পর দুই সিরিজ়ে হারতে হয়েছিল শ্রেয়সকে। তৃতীয় সিরিজ়ে জিতেছেন তিনি। জ়িম্বাবোয়েকে চুনকাম করে প্রত্যাবর্তনের মন্ত্র শেখালেন শ্রেয়স।
শ্রেয়সের মতে, ভয়ডরহীন ক্রিকেটই জয়ে ফিরিয়েছে তাঁদের। খেলা শেষে তিনি বলেন, “আমরা সকলেই দেখলাম, কী ভয়ডরহীন ক্রিকেটই না ওরা খেলল। অল্পবয়সি দুর্দান্ত কিছু ক্রিকেটার মাঠে নেমে দাপিয়ে বেড়াল। বিশেষ করে পর পর দু’দিন খেলতে হলে যে পরিশ্রম করতে হয়, সেটা ওরা দেখিয়েছে। অধিনায়ক হিসাবে এর থেকে বেশি কী চাই।”
দলে বেশির ভাগই তরুণ ক্রিকেটার। তাই কি তাঁকে অতিরিক্ত দায়িত্ব নিতে হয়েছে? শ্রেয়স তেমনটা মানতে রাজি নন। তাঁর মতে, আইপিএলে খেলার জন্য এখন সকলেই অনেক অভিজ্ঞ। তিনি বলেন, “রেকর্ড দেখলে বুঝবেন, আমিও তো ৫৫-৬০টা ম্যাচই খেলেছি। এই দলের অনেকেই অতগুলো ম্যাচ খেলেছে। তা ছাড়া আইপিএলে খেলায় কারও অভিজ্ঞতা কম নয়। তাই যখনই মাঠে নেমেছি, সকলকে স্বাধীনতা দিয়েছি। মনের আনন্দে খেলতে বলেছি। তখনই সকলের কাছে সেরাটা বার করা যায়। সেটাই হয়েছে।”
আরও পড়ুন:
ব্যাটিং, বোলিং, দুই বিভাগেই দাপট দেখিয়েছে ভারত। হ্যাঁ, বেশ কিছু ক্যাচ পড়েছে, কিন্তু এখন ও সব ভাবতে চাইছেন না শ্রেয়স। তিনি বলেন, “দলের অধিনায়ক হিসাবে এটাই তো দেখতে চেয়েছিলাম। ব্যাটিং, বোলিং দুই বিভাগেই আমরা আগুন ঝরিয়েছি। দাপট দেখিয়েছি। প্রতিপক্ষকে দুরমুশ করেছি। এটাই তো চাই। এই ধারাবাহিকতাই আগামী দিনে বজায় রাখতে হবে। জানি, বাধা আসবে। কঠিন পরিস্থিতি আসবে। কিন্তু একটা দল হিসাবে এ ভাবেই সাহস দেখিয়ে এগিয়ে যাব।”
টানা দুই সিরিজ়ে হারের পর কী ভাবে প্রত্যাবর্তন ঘটাল ভারত? বাকিদের কী বলেছিলেন শ্রেয়স? সেই জবাবও দিয়েছেন ভারত অধিনায়ক। তিনি বলেন, “আমরা ফলাফলের কথা ভাবিনি। সকলকে বলেছিলাম, নিজেদের স্বাভাবিক খেলা খেলতে হবে। পরিস্থিতি যা-ই হোক না কেন, ভয় না পেয়ে আগ্রাসী ক্রিকেট খেলতে বলেছিলাম। সেটাই ওরা করে দেখিয়েছে। তাই জিতেছি।”