ম্যাচ জিতলেও একটা কাঁটা খচখচ করছে অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারের গলায়। তা হল দলের বোলিং। আরও একটি ম্যাচে ২০০ রানের বেশি দিয়েছেন বোলারেরা। তা-ও ভুবনেশ্বর কুমারের মতো অভিজ্ঞ বোলার সঙ্গে থাকার পরেও। কোথায় সমস্যা হচ্ছে? খেলা শেষে সে বিষয়ে মুখ খুললেন শ্রেয়স।
ম্যাচ জেতার পর শ্রেয়সকে প্রশ্ন করা হয়, কেন এত রান দিলেন তাঁদের বোলারেরা। জবাব ভারত অধিনায়ক বলেন, “শুরুতে পিচ একটু মন্থর ছিল। বল পড়ে একটু থমকাচ্ছিল। তবে যে লেংথে বল করা উচিত ছিল, তার একটু আগে বল ফেলছিলাম। পরের দিকে শিশির পড়তে শুরু করল। পিচ সহজ হয়ে গেল। ব্যাটে বল খুব ভাল আসছিল। সেই কারণেই ওরা ২২৫ রান করল।”
শ্রেয়সের কথা থেকে স্পষ্ট, পুরো দায় শিশিরের উপর চাপিয়েছেন তিনি। বোঝাতে চেয়েছেন, শিশির পড়ার কারণেই বোলারদের সমস্যা হয়েছে। কিন্তু টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে শিশির সামলে কী ভাবে বল করতে হবে, সেটাই তো আসল খেলা। তার জন্যই তো প্রস্তুতি। সেটা ভারতীয় বোলারদের কাছ থেকে দেখা যাচ্ছে না। তার পরেও বোলারদের আগলে রাখলেন শ্রেয়স।
আরও পড়ুন:
পরে অবশ্য ভারতীয় ব্যাটারেরাও বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছেন। তার কৃতিত্ব দুই ওপেনার অভিষেক শর্মা ও সঞ্জু স্যামসনকে দিয়েছেন শ্রেয়স। ব্যাট করতে নামার আগে কি দুই ওপেনারকে কিছু বলেছিলেন তিনি? শ্রেয়স বলেন, “ওরা যথেষ্ট অভিজ্ঞ। এই পিচে কী ভাবে খেলতে হয় ওরা জানে। ওরা সেটাই করেছে। ওদের কিছু বলার দরকার পড়ে না। ২২৫ রান তাড়া করতে নেমে প্রথম ৬ ওভারে ৮০-৮৫ রান অনেক। তবে হ্যাঁ, প্রতি ম্যাচে এটা সম্ভব নয়। বাকি কাজটা ছিল আমাদের। যে ভিত ওরা গড়ে দিয়েছিল সেটা কাজে লাগিয়ে জিতেছি।”
ভারতকে জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছেন নমন ধীর। বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছেন তিনিও। তবে এই ম্যাচে বল হাতে দেখা যায়নি তাঁকে। যদিও বোলার নমনের কথা শোনা গেল শ্রেয়সের মুখে। তিনি বলেন, “বিপক্ষে বাঁহাতি ব্যাটার থাকলে নমন ভাল বিকল্প। কয়েক ওভার ওকে দিয়ে করানো যায়। ও উইকেটও নিতে পারে। কিন্তু আজ সেটা হয়নি। তবে ব্যাট হাতে ধীর-স্থির ভাবে যে ইনিংস ও খেলেছে, সেটা এক কথায় অসাধারণ।”