সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক ভারতীয় ক্রিকেট চোট পেয়েছেন। বার বার আঙুল উঠছে বোর্ডের উৎকর্ষ কেন্দ্রের দিকে। ভিভিএস লক্ষ্মণ যতই সাফাই দেওয়ার চেষ্টা করুন, তা যে সঠিক নয় তা বুঝিয়ে দিলেন উৎকর্ষ কেন্দ্রেরই এক কর্তা। জানালেন, ক্রিকেটারেরা আইপিএলে চোট লুকিয়ে খেলেছেন বলেই এখন এত সমস্যা তৈরি হয়েছে।
জসপ্রীত বুমরাহ, হর্ষিত রানা, বরুণ চক্রবর্তী, সাই সুদর্শন-সহ একাধিক ক্রিকেটার চোট পেয়ে উৎকর্ষ কেন্দ্রে রয়েছেন। রবিবার বোর্ড সচিব দেবজিৎ শইকীয়া উৎকর্ষ কেন্দ্রে গিয়েছিলেন এবং সেখানকার প্রধান লক্ষ্মণের সঙ্গে বৈঠকও করেন।
তার পরেই উৎকর্ষ কেন্দ্রের এক কর্তা বলেছেন, “এখন প্রচুর ক্রিকেট খেলতে হচ্ছে। মানুষের শরীরের তো একটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বেশি ব্যবহার করলে এবং শরীরকে চাপে ফেলে চোট পেলে দ্রুত ক্রিকেটে ফেরা অসম্ভব। বয়স্ক ক্রিকেটারদের আরও সমস্যা। দল এবং অর্থের চাপে আইপিএলে অনেকেই চোট নিয়ে খেলেছে। তার পরেই উৎকর্ষ কেন্দ্রে ছুটে এসেছে।”
তিনি আরও বলেন, “উৎকর্ষ কেন্দ্রের ফিজিয়ো এবং চিকিৎসকেরা যথেষ্ট পারদর্শী। তাঁরা সব কিছুর খেয়াল রাখেন। ক্রিকেটারদের সুরক্ষা সবার আগে মাথায় রাখা হচ্ছে। তাড়াহুড়ো করা হচ্ছে না বলেই নির্বাচক, কোচ এবং অধিনায়কদের কাজ কঠিন হচ্ছে।”
এই মুহূর্তে উৎকর্ষ কেন্দ্রের প্রত্যেকেই ভীষণ চাপে। যে ভাবে পর পর ক্রিকেটার চোট পেয়ে উৎকর্ষ কেন্দ্রে ছুটে আসছেন, তাতে কাকে ছেড়ে কাকে দেখবেন তা নিয়ে মাথার চুল ছেড়ার দশা হয়েছে সকলের।
আরও পড়ুন:
-
‘হাতে যেটা আছে সেটাই নিয়ন্ত্রণ করো’, জাতীয় দল থেকে ব্রাত্য শামিকে পরামর্শ জাহির খানের
-
রোনাল্ডোকে বাড়তি ছুটি ক্লাবের, বিয়ের জন্যই কি এই সিদ্ধান্ত? রোনাল্ডোর বিয়ে ভেবে ভুল করে অন্য দম্পতিকে ঘিরলেন সমর্থকেরা
-
অর্ধশতরান যশস্বীর, ব্যাট করলেন শুভমনও, প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাটিং ঝালিয়ে নিল ভারত, সিরাজের দাপটে জয় ছয় উইকেটে
-
ভারতীয় ক্রিকেটের প্রধান নির্বাচক হতে রাজি নন লক্ষ্মণ? প্রাক্তন ক্রিকেটারের কথায় শুরু নতুন জল্পনা
এ দিন লক্ষ্মণ বলেন, “সিওই শুধুমাত্র একটা রিহ্যাব সেন্টার নয়। এখানে শুধু ক্রিকেটারদের সুস্থ করে তোলা হয় না। এখানে ক্রিকেটারদের উন্নতির দিকটাও দেখা হয়। কোনও ক্রিকেটার এলে তার দক্ষতা বাড়ানোর দিকে নজর দেওয়া হয়। সুতরাং এই কেন্দ্রের আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।”
লক্ষ্মণের মতে, ক্রিকেটারদের সুস্থ করার সব রকম চেষ্টা তাঁরা করেন। কিন্তু চোট পাওয়ার উপর কারও নিয়ন্ত্রণ থাকে না। তাই তাঁদের দোষ দেওয়ার কোনও মানে নেই। লক্ষ্মণ বলেন, “চোট তো খেলারই অঙ্গ। তাই জন্যই নজর রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এর উপর কারও নিয়ন্ত্রণ থাকে না। তাই আমাদের দোষ দিয়ে বা বলির পাঁঠা করে কোনও লাভ নেই।”