বৃহস্পতিবার দুপুরেই পূর্বাঞ্চলের ট্রফি জয় সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল। দু’দলের ক্রিকেটারেরা একে অপরের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছিলেন। তিনি এ সবের থেকে অনেকটাই দূরে ছিলেন। অকাতরেই সই এবং নিজস্বী বিলোচ্ছিলেন সমর্থকদের। নির্বাচকেরা তাঁকে ব্রাত্য করে রাখতেই পারেন। কিন্তু সমর্থকদের মন থেকে তাঁকে এখনই যে সরানো যাবে না তা বোঝা গিয়েছে। মহম্মদ শামি জানালেন, দেশের হয়ে খেলার খিদে একই রকম আছে তাঁর। হাল ছাড়ছেন না এখনই।
চেন্নাইয়ের পিচে জোরে বোলার হিসাবে একমাত্র তাঁর বোলিংই নজর কেড়েছে। সমর্থকদের সমীহও আদায় করেছেন। পুরনো এবং নতুন বলে শামির ভেলকি দেখেছেন প্রধান নির্বাচক অজিত আগরকরও। শামি অবশ্য সে সবে আমল না দিয়ে বলেছেন, “আমার কাজ হল কঠোর পরিশ্রম করা। বাকি সব উপরওয়ালার হাতে।”
লম্বা স্পেলে উইকেট নেওয়া থেকে নিষ্ক্রিয় পিচে বল ঘোরানো— দলীপ ফাইনালে সবই করেছেন শামি। নির্বাচকেরা যখন তাঁর সামনে জাতীয় দলের দরজা বন্ধ করে দিয়েছেন, তখন শামি বুঝিয়েছেন পুরনো চাল ভাতে বাড়ে। খেলা শেষের পর শামি প্রত্যয়ের সঙ্গে বললেন, “যদি দেখতে চাই তা হলে অনুপ্রাণিত হওয়ার অনেক কারণ রয়েছে। এই মাঠ হোক বা যে মাঠেই খেলতে নামি, ইতিবাচক দিক খুঁজে পাবই। এই পর্যায়ে যদি নিজেই নিজেকে অনুপ্রাণিত করতে না পারেন তা হলে ভুল কাজ করছেন। যে পর্যায়েই খেলুন না কেন, আপনার চোখ সব সময় পরবর্তী লক্ষ্যের দিকে থাকা উচিত।”
আরও পড়ুন:
-
বৈভবদের দেখতে টিকিটের চাহিদা তুঙ্গে, খুলছে সাত বছর পড়ে থাকা গ্যালারি, ভারতের জন্য টি২০ লিগের প্রস্তাব ফেরালেন কিউয়ি বোলার
-
ইমাম, রিজ়ওয়ানকে তলব পাকিস্তানের সাইবার অপরাধ দমন সংস্থার, বাজেয়াপ্ত মোবাইল, ফের ম্যাচ গড়াপেটার গন্ধ পাক ক্রিকেটে
-
অবসরের পর ভবিষ্যতের দিকে তাকানো শুরু মেসির, কিনলেন আরও একটি ফুটবল ক্লাব
দলীপের গুরুত্ব অনেক দিন আগেই গিয়েছে। তবু এই পারফরম্যান্সকে মোটেই ছোট করে দেখছেন না শামি। তাঁর কথায়, “আমি সব সময় বলি, জার্সির ব্যাজের দিকে তাকিয়ে খেলো। যখনই বুকের ওই প্রতীকটার দিকে তাকাবেন, কোন ধরনের ক্রিকেট খেলছেন সে দিকে মন থাকবে না। প্রতীকের কথা ভেবে খেললে আপনা থেকেই খিদে বেরিয়ে আসবে। গর্বের সঙ্গে খেলতে নামলে লড়াই নিজের থেকেই আসবে। আমার মানসিকতা খুব পরিষ্কার, যখনই খেলার সুযোগ পাব তখনই সেটা কাজে লাগাব এবং দলের প্রতি দায়বদ্ধতা পূরণ করব।”