Advertisement
E-Paper

চোটের নাটক! কালি দিয়ে ভুয়ো কালশিটের দাগ, কঠিন পিচ দেখেই ফের পালানোর অভিযোগ পাক ব্যাটারের বিরুদ্ধে

লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিন ইমাম জানান, তাঁর পায়ের পেশিতে টান ধরেছে। পাকিস্তানের হয়ে দুই ইনিংসেই ব্যাট করতে নামেননি বাঁহাতি ওপেনার।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৪:১২
cricket

ইমাম উল হক। —ফাইল চিত্র।

চোটই পাননি। তবু চোটের অজুহাতে খেলতে নামেননি। ক্রিকেটের মাঠকে নাটকের মঞ্চ বানিয়ে ফেলেছেন পাকিস্তানের ক্রিকেটার ইমাম উল হক। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের দ্বিতীয় টেস্টের পর দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁকে। ইমামের বিষয়ে এমন কিছু তথ্য উঠে এসেছে, যেখান থেকে জানা যাচ্ছে, এমন কাণ্ড তিনি আগেও করেছেন।

লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিন ইমাম জানান, তাঁর পায়ের পেশিতে টান ধরেছে। পাকিস্তানের হয়ে দুই ইনিংসেই ব্যাট করতে নামেননি বাঁহাতি ওপেনার। ফলে এক ব্যাটার কম নিয়ে খেলতে হয়েছে বাবর আজ়মদের। অথচ, টেস্টের চতুর্থ দিন গা ঘামাতে দেখা গিয়েছে ইমামকে। পায়ের পেশির উপর টেপ লাগানো থাকলেও ইমামকে দেখে মনে হচ্ছিল না, কোনও সমস্যা হচ্ছে।

এই ঘটনা তুলে ধরে ইমামের সমালোচনা করেছেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার স্টুয়ার্ট ব্রড। তাঁর মতে, অতীতে ঋষভ পন্থ ভাঙা পা ও চিড় ধরা হাত নিয়েও ব্যাট করেছেন। একই কাজ করতে দেখা গিয়েছে ক্রিস ওকস, নেথান লায়নকে। অথচ, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি ম্যাচে ব্যাট করতেই নামলেন না ইমাম।

জানা গিয়েছে, ইমামের এই অজুহাত নতুন নয়। ২০২৫ সালের মার্চে নিউ জ়িল্যান্ডের মাটিতে একটি এক দিনের ম্যাচের আগে নেটে গোড়ালিতে চোট পান ইমাম। স্ক্যান করে কিছু পাওয়া না গেলেও ইমাম দাবি করেন, প্রচণ্ড যন্ত্রণা হচ্ছে। পরে দেখা যায়, তাঁর গোড়ালি নীল হয়ে গিয়েছে। প্রথমে মনে হয়েছিল, রক্ত জমাট বেঁধেছে। কিন্তু চিকিৎসকেরা গোড়ালি পরিষ্কার করার পর দেখা যায়, রক্ত নয়, পেনের কালি ব্যবহার করে কালশিটে তৈরি করা হয়েছিল। চিকিৎসকদের সামনে খুঁড়িয়ে হাঁটছিলেন ইমাম। অথচ, ৫০০ মিটার হেঁটে ইফতারের নিমন্ত্রণ খেতে গিয়েছিলেন তিনি।

সেই সময় ইমামকে নির্বাসিত করার পরামর্শ দিয়েছিলেন চিকিৎসকেরা। চোটের মিথ্যে অভিনয়ের জন্য শাস্তির দাবি তুলেছিলেন। কিন্তু কোনও ভাবে শাস্তির হাত থেকে বেঁচে যান তিনি।

পাকিস্তানের প্রাক্তন নির্বাচক প্রধান মহম্মদ ওয়াসিম জানিয়েছেন, কঠিন পিচে খেলা থাকলেই চোটের অজুহাতে মাঠে না নামার চেষ্টা করেন ইমাম। ২০২২ সালে মুলতানে একটি টেস্টের আগে তাঁকে এক ফিজ়িয়ো এসে বলেছিলেন, ইমাম চোটের অজুহাত দেবেন। পরে তিনি সত্যি দেখেন, ইমাম বলছেন চোটের জন্য খেলতে পারবেন না তিনি। অথচ পরীক্ষা করে কোনও চোট ধরা পড়েনি। আবার একই কাণ্ড ঘটালেন তিনি। এবার শাস্তি পেতে পারেন তিনি। পাকিস্তানের জাতীয় দলের দরজা পাকাপাকি ভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে ইমামের জন্য।

Imam ul Haq Pakistan Cricket Team

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy