বুধবার সকালে অহমদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে বোমাতঙ্কের ঘটনা ঘটেছে। মাঠে তখন ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ বনাম অস্ট্রেলিয়ার অনূর্ধ্ব-১৯ দলের খেলা চলছিল। যদিও শেষপর্যন্ত জানা গিয়েছে, বোমা রয়েছে বলে যে হুমকি মেল পাঠানো হয়েছিল তা ভুয়ো। ‘স্পোর্টস্টার’ এই খবর প্রকাশ করেছে।
সোমবার থেকে নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার ছোটদের দ্বিতীয় টেস্ট চলছিল। সকাল ১১টা নাগাদ ই-মেলে একটি হুমকি দেওয়া হয় যে, স্টেডিয়ামে বোমা রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে স্টেডিয়ামে উপস্থিত নিরাপত্তারক্ষীরা বোমা খুঁজতে শুরু করেন।
ছোটদের খেলা থাকায় মাঠে খুব বেশি দর্শক ছিলেন না। ফলে হুড়োহুড়ি হয়নি। বম্ব স্কোয়াডকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশি কুকুর দিয়েও তল্লাশি চালানো হয়। কিন্তু বোমা পাওয়া যায়নি। তত ক্ষণে অবশ্য খেলা শেষ হয়ে গিয়েছে। ১০ উইকেটে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছে ভারত।
গুজরাত ক্রিকেট সংস্থার সচিব অনিল পটেল সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, “ই-মেলে হুমকি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় থানাকে আমরা ঘটনাটা জানাই। সাইবার সেলের একটি দলও স্টেডিয়ামে আসে। এই ঘটনা এই প্রথম বার ঘটল না। এর আগে ২০২৩ সালের এক দিনের বিশ্বকাপ ও আইপিএল চলাকালীনও বোমা রাখার হুমকি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রত্যেক বারই দেখা গিয়েছে তা ভুয়ো। যদিও আমরা কোনও ঝুঁকি নিইনি।”
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, দুই দলকে প্রথমে হুমকি মেলের বিষয়টি জানানো হয়নি। খেলা শেষ হওয়ার পর তাদের জানানো হয়। বেলা ১টা নাগাদ দু’দল মাঠ ছেড়ে চলে যায়।
শুধু নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম নয়, অহমদাবাদের হাই কোর্ট এবং কয়েকটি স্কুল-কলেজেও ই-মেল করে বোমা রাখার হুমকি দেওয়া হয়েছে। ২১ নভেম্বর নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে দিলজীত দোসাঞ্ঝের অনুষ্ঠান রয়েছে। সেই অনুষ্ঠান বানচাল করতেই লাগাতার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এর নেপথ্যে কে বা কারা রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হুমকির পর নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামের নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছে।