আইপিএলে প্রথম সাক্ষাতেই জসপ্রীত বুমরাহকে ছয় মেরে নজর কেড়েছিল বৈভব সূর্যবংশী। কিন্তু আন্তর্জাতিক মঞ্চে বুমরাহকে খেলা কতটা কঠিন এ বার বুঝতে পারল সে। শুক্রবার অনুশীলনে বুমরাহের বল ঠেকাতেই হিমশিম খেতে হল বৈভবকে। শ্রেয়স আয়ারের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটারেরাও সমস্যায় পড়লেন। এ দিকে, অনুশীলনে চোট পেয়ে চিন্তা বাড়িয়েছেন ঈশান কিশন।
চোট কাটিয়ে শুক্রবারই মাঠে ফিরলেন বুমরাহ। তাঁকে বেশ হাসিখুশি মেজাজে দেখা গিয়েছে। তবে নেটে বোঝা গিয়েছে, চোট তাঁর বলের ক্ষিপ্রতা কেড়ে নিতে পারেনি। প্রথম বারই সামনে এসেছিলেন বৈভব। রাতের আলোয় একের পর এক বলে বৈভবকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দেন বুমরাহ।
প্রথম বলটিই ছিল গুড লেংথে। বৈভব রক্ষণ করতে চাইলেও ব্যাটে বল ছোঁয়াতে পারেনি। দ্বিতীয় বল ছিল একই লেংথে। সেটিও বৈভবের ব্যাটের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। তৃতীয় বলটি ছিল ইয়র্কার। কোনও মতে সামলায় বৈভব। চতুর্থ বল লেংথের কিছুটা পিছনে ছিল। ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে যায় স্লিপে। চারটি বলেই বুমরাহ বুঝিয়ে দেন আন্তর্জাতিক মঞ্চে বৈভবকে কিসের সামনে পড়তে হতে পারে।
বুমরাহের একটি বলে বৈভব কভার ড্রাইভ মারে। তবে বাকি সময়টা ভাল যায়নি তার। হর্ষিত রানার জায়গায় দলে আসা যশ ঠাকুরও অনায়াসে হারিয়ে দিচ্ছিলেন বৈভবকে। অর্শদীপ সিংহও বলের নড়াচড়ায় বোকা বানান বৈভবকে। ফিল্ডিংয়ের সময় তিনটি ক্যাচ ফেলে বৈভব।
আফগানিস্তান সিরিজ়ের আগে অনুশীলনে যদি কেউ নজর কে়ড়ে থাকেন, তিনি বুমরাহ। অধিনায়ক শ্রেয়সকে তিনি বেশ কিছু বল করেন। ইনসুইং এবং আউটসুইংয়ে একাধিক বার পরাস্ত করেন। বুমরাহের স্মিত হাসিই বলে দিয়েছে কতটা ছন্দে রয়েছেন তিনি। বুমরাহ ফেরত আসায় চাঙ্গা গোটা শিবিরও।
আরও পড়ুন:
-
পাকিস্তানের ক্রিকেটের পতনের জন্য দায়ী ইমরান খান! ভারতের উদাহরণ টেনে জেলবন্দি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে তোপ প্রাক্তন কোচের
-
চার ঘণ্টা ধরে ইমাম, রিজ়ওয়ানকে জেরা তদন্তকারী সংস্থার, পরীক্ষা করা হবে দুই পাক ক্রিকেটারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্যও
-
ডিআরএসের সব কৃতিত্ব একাই কেড়ে নেয় বৈভব! অভিযোগ ঈশানের, দলীপ জেতার পর দুই ক্রিকেটারের ‘ঝগড়া’
এ দিকে, পূর্বাঞ্চলকে দলীপ জেতানোর পর এ দিন শিবিরে যোগ দিয়েছেন ঈশান। নবদীপ সাইনির একটি বল ধেয়ে এসেছিল বুকের উচ্চতায়। বাঁহাতি ঈশান সেটি এ়়ড়াতে গিয়ে পিঠে চোট পান। তাঁকে যন্ত্রণায় কাতরাতে দেখে ফিজিয়ো কমলেশ জৈন ছুটে যান। কয়েক মিনিট শুশ্রুষার পর নেট থেকে বেরিয়ে আসেন ঈশান। কোমরে হাত দিয়ে হাঁটতে দেখা যায় তাঁকে। আর নেটে ব্যাট করেননি। ২৪ ঘণ্টা পর বোঝা যাবে তাঁর চোট কতটা গুরুতর।