প্রধান নির্বাচক হিসাবে অজিত আগরকরের মেয়াদবৃদ্ধি নিশ্চিত নয়। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ়ের পর আগরকরের সঙ্গে বৈঠক করবেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) কর্তারা। এক দিনের বিশ্বকাপ পর্যন্ত আগরকরকে দায়িত্ব রাখতে চান কর্তারা। তবে তাঁকে শর্ত দেওয়া হবে। আগরকর রাজি না হলে জ়াহির খানকে দেখা যেতে পারে নির্বাচন কমিটির চেয়ারম্যান হিসাবে।
গত ইংল্যান্ড সফরের সময় রোহিত শর্মার অবসর নিয়ে বিতর্ক ভাল ভাবে নেননি বিসিসিআই কর্তারা। নির্বাচন কমিটির আরও কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে বোর্ডের মধ্যে। বিশেষ করে টেস্টে ভারতীয় দলের ব্যর্থতায় ক্ষুব্ধ কর্তারা। আবার কর্তারা যে ভাবে রোহিতের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, তা পছন্দ হয়নি আগরকরের। সেই থেকে কর্তাদের সঙ্গে আগরকরের সম্পর্ক শীতল।
একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগরকরের মেয়াদবৃদ্ধি নির্ভর করবে শ্রীলঙ্কা সিরিজ়ের ফলাফলের উপর। শুভমন গিলেরা প্রত্যাশিত ফল করতে না পারলে আগরকরকে সরে যেতে হবে। ঘরের মাঠে নিউ জ়িল্যান্ড এবং দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হার ভাল ভাবে নেননি কর্তারা। তার উপর টেস্ট থেকে বিরাট কোহলি-রবিচন্দ্রন অশ্বিন-রোহিতদের হঠাৎ অবসরের ঘটনাতেও ক্ষুব্ধ ছিলেন কর্তাদের একাংশ। রোহিতকে এক দিনের ক্রিকেট থেকেও বাদ দেওয়ার পরিকল্পনা সেই ক্ষোভ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
আরও পড়ুন:
জ়াহির হতে পারেন নতুন প্রধান নির্বাচক। ৯২টি টেস্ট খেলা প্রাক্তন জোরে বোলার আইপিএলে লখনউ সুপার জায়ান্টস এবং মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে কাজ করেছেন। বিসিসিআইয়ের সেন্টার অফ এক্সেলেন্সেও কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। ২০১১ সালের বিশ্বজয়ী দলের অন্যতম সদস্যের নাম নিয়ে আলোচনা চলছে কর্তাদের মধ্যে। একটা সময় পর্যন্ত ভিভিএস লক্ষ্মণের নামও শোনা যাচ্ছিল। তাঁকে ‘ডিরেক্টর অফ ক্রিকেট’ করার কথা ভেবেছেন বিসিসিআই কর্তারা।