ভারত-ব্রাজ়িল ম্যাচের টিকিট অনলাইনে বিক্রি শুরু হয়েছে বুধবার থেকে। টিকিটের দাম ৯৯৯ টাকা থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। ভাল জায়গায় বসে খেলা দেখতে হলে মোটা টাকা খরচ করতে হবে। টিকিট বিক্রি শুরুর হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে বহু মানুষ তাঁদের আসন নিশ্চিত করে ফেলেছেন।
প্রথম বার ভারতে খেলতে আসছে ব্রাজ়িল। ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে আগ্রহ তুঙ্গে। সাধারণ ফুটবল ম্যাচের তুলনায় টিকিটের দামও বেশি। মাঠ থেকে আসনের দূরত্ব এবং খেলা দেখতে পাওয়ার সুবিধা অনুযায়ী দাম ঠিক করা হয়েছে।
টিকিটের সবচেয়ে কম দাম ৯৯৯ টাকা। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের বি১ এবং ডি১ ব্লকে ৯৯৯ থেকে ১৫০০ টাকার টিকিট রয়েছে। ব্লক দু’টি নিচের টায়ারে গোল পোস্টের পিছনে। মাঝের টায়ারের ঠিক ওই জায়গায় টিকিটের দাম ২৫০০ টাকা। নিচের টায়ারে মাঠের চার কোণের দিকে আসনগুলির টিকিটের দাম রাখা হয়েছে ৩৫০০ টাকা করে। অর্থাৎ সি১, এ১ ব্লকের টিকিট। এই জায়গা থেকেও ভাল খেলা দেখা যায় না। আবার ওই জায়গারই মাঝের টায়ারে টিকিটের দাম ৪৫০০ টাকা করে। যেমন এ১, সি১ ব্লকের কিছু অংশ, যেখান থেকে কিছুটা ভাল খেলা দেখা যায়।
ভাল ভাবে খেলা দেখতে হলে অন্তত ৬০০০ টাকা খরচ করতে হবে। সি৩ এবং ডি২ ব্লকে বসে খেলা দেখা যাবে। প্রেস বক্সের উল্টো দিকে উপরের টায়ারের দু’পাশে এবং মাঝের টায়ারে গোল পোস্টের পিছনের দিকের অংশের আসনের টিকিট পাওয়া যাচ্ছে ৬০০০ টাকায়। ৭০০০ টাকা খরচ করলে খেলা দেখা যাবে এ৩, সি২ ব্লকে বসে। অর্থাৎ প্রেস বক্সের দিকের উপরের টায়ারের মাঝামাঝি এবং উল্টো দিকে মাঝের টায়ারের মাঝামাঝি জায়গায় বসা যাবে। এর পর রয়েছে ৯০০০ টাকার টিকিট। ভিআইপি বক্সের দু’পাশে এ২ ব্লকে বসে খেলা দেখা যাবে। এই দুই ব্লক থেকে যথেষ্ট ভাল খেলা দেখা যায়। ভিআইপি ব্লকের টিকিটের দাম ১৫০০০ টাকা।
‘ডিস্ট্রিক্ট বাই জ়োম্যাটো’ অ্যাপে বিকাল ৪টে থকে টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই শেষ হয়ে যায় ৯৯৯ টাকার টিকিট। অভিযোগ, বিপুল চাহিদা দেখে ওই টিকিটের দামই বাড়িয়ে ১৫০০ করা হয়। এতে ক্ষুব্ধ ফুটবলপ্রেমীরা। কারণ টিকিটের দাম দিলেই হবে না। এর সঙ্গে যোগ হবে ১৮ শতাংশ জিএসটি।
এই ম্যাচের টিকিট বিক্রিতে রয়েছে অভিনবত্ব। ‘ভিউ ফরম্যাট সিট’ পদ্ধতিতে দর্শকেরা টিকিট কাটতে পারবেন। নতুন প্রযুক্তির সাহায্যে টিকিট কাটার সময় দর্শকেরা বুঝতে পারবেন যুবভারতীর ঠিক কোন জায়গার, কোন আসনের টিকিট তাঁরা কাটছেন। পশ্চিমবঙ্গের ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ উচ্ছ্বসিত। তাঁর পরিচিত একজন এই ম্যাচের টিকিট কেটেছেন। তাঁর অভিজ্ঞতার কথা ক্রীড়ামন্ত্রী সমাজমাধ্যমে লিখে জানিয়েছেন, ইংল্যান্ডের স্টেডিয়ামে এই পদ্ধতিতে টিকিট কাটা যায়।