মোহনবাগান শিবির এখন কার্যত মিনি হাসপাতালে পরিণত হয়েছে। তাই জয়ের হ্যাটট্রিকের পরেও স্বস্তিতে নেই মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের কোচ পানাইয়োটিস দিমপেরিস।
চোটের কারণে দীর্ঘ দিন মাঠের বাইরে জেমি ম্যাকলারেন এবং মিগুয়েল ফিগুয়েরা। দ্বিতীয় জনের পুরোদমে ছন্দে ফিরতে হয়তো আরও এক সপ্তাহ সময় লাগবে। জ্বর সেরে গেলেও শারীরিক দুর্বলতা না কাটায় শেষ দুই ম্যাচে খেলতে পারেননি আপুইয়া। বৃহস্পতিবার ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধেও তাঁর খেলার সম্ভাবনা ক্ষীণ। চোটের তালিকায় নতুন সংযোজন সাহাল আব্দুল সামাদ।
শনিবার পঞ্জাব এফসির বিরুদ্ধে ১১ মিনিটের মাথায় চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন সাহাল। ম্যাচ শেষে টিম বাসে ওঠার সময়ে তাঁকে কিছুটা খোঁড়াতেও দেখা গিয়েছে। মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট শিবিরের তরফে জানা যাচ্ছে, সাহালের চোটের জায়গায় রবিবার স্ক্যান হয়েছে। সোমবার রিপোর্ট এলেই চোটের মাত্রা জানা যাবে। তবে প্রাথমিক অবস্থা দেখে কর্তারা মনে করছেন, ওড়িশার বিরুদ্ধে সাহালকে ছাড়াই নামতে হবে মোহনবাগানকে।
চোট-আঘাতের পাশাপাশি পানাইয়োটিসকে চিন্তায় রেখেছে একাধিক সুযোগ নষ্টের প্রবণতাও। সাংবাদিক বৈঠকে এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে পুরো দলের এক সঙ্গে প্রস্তুতির অভাবকে দায়ী করেছেন গ্রিক কোচ। “জুলাই থেকে আমরা প্রস্তুতি শুরু করলেও পুরো দলকে নিয়ে অনুশীলনের সময় পেয়েছি মাত্র ১৫-২০ দিন। মাঝে নানা প্রতিযোগিতায় খেলতে হয়েছে। প্রথম ম্যাচের পর থেকে আপুইয়া খেলতে পারেনি। ও আমাদের দলের সেরা ছয় নম্বর স্থানের ফুটবলার। ম্যাকলারেনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলারকে আইএসএলে এখনও পাইনি। প্রতিআক্রমণে ওর গতি কাজে লাগাতে পারছি না। ফলে লি আরউইনকে ব্যবহার করতে হচ্ছে,” বলেছেন পানাইয়োটিস।
পঞ্জাবের বিরুদ্ধে ফুটবলারদের মানসিকতার প্রশংসা করেছেন মোহনবাগানের কোচ। তাঁর কথায়, “পিছিয়ে পড়ার পরেও দল যে রকম ভাবে প্রত্যাবর্তন করেছে, তাতে দৃঢ় মানসিকতার পরিচয় পাওয়া গিয়েছে। তবে আরও উন্নতি করতে হবে।”