আইফোন ১৮ সিরিজের দু’টি মডেল বাজারে এনেছে বহুজাতিক মার্কিন টেক জায়ান্ট অ্যাপ্ল। সেগুলি হল, আইফোন ১৮ প্রো এবং আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স। আগামী বছর (পড়ুন ২০২৭ সাল) এর বেস মডেল অর্থাৎ আইফোন ১৮-এর বিক্রি শুরু করবে তারা। তার আগেই প্রকাশ্যে এল মুঠোবন্দি ডিভাইসটির মূল বৈশিষ্ট্য। ফলে, সংশ্লিষ্ট ফোনটিকে নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে যে আকর্ষণ বাড়ছে, তা বলাই বাহুল্য।
টেক বিশেষজ্ঞদের দাবি, আইফোন ১৮-এর বেস মডেলে থাকবে ৬.৩ ইঞ্চির ১২০ হার্ৎজ়ের এলটিপিও ওলেড প্যানেল। তবে, আগের মডেলগুলির তুলনায় কিছুটা ছোট হবে এর ডাইনামিক আইল্যান্ড। প্রতি বারই কিছু নতুন ডিভাইসের ক্ষেত্রে এমনটা করে থাকে অ্যাপ্ল। আইফোন ১৮-তেও সেই ধারা মার্কিন টেক জায়ান্টটি বজায় রাখবে বলেই সূত্র মারফৎ মিলেছে খবর।
আরও পড়ুন:
এ ছাড়া, ১৮ সিরিজের বেস মডেলে ব্লুটুথ ও ওয়াই-ফাইয়ের জন্য থাকবে এনওয়ান চিপ। পাশাপাশি, সি-২ মোডেম পাবেন গ্রাহক। অতীতে এগুলি যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় প্রযুক্তি সংস্থা কোয়ালকমের থেকে কিনত অ্যাপ্ল। কিন্তু, এ বার আইফোন ১৮-এ নিজের তৈরি চিপ ও মোডেম ব্যবহার করেছে মার্কিন টেক জায়ান্টটি, এমনটাই জানা গিয়েছে।
পশ্চিমি গণমাধ্যমগুলির দাবি, ডায়নামিক এ-২০ ন্যানোমিটারের চিপ দিয়ে ১৮ সিরিজের বেস মডেল তৈরি করেছে অ্যাপ্ল। শুনতে অবাক লাগলেও ফোনটিতে থাকবে ৯ জিবি ও ১২ জিবি-র দু’টি র্যাম, যেটি আবার এলপিডিডিআর ৫এক্স বলে জানা গিয়েছে। মডেলটির পিঠের দিকে (পড়ুন, ব্যাকসাইড) দু’টি ক্যামেরা পাবেন গ্রাহক। সেগুলি হবে ৪৮ মেগাপিক্সলের।
আরও পড়ুন:
সামনের দিকে অর্থাৎ সেলফি ক্যামেরার বিষয়টি অবশ্য গোপন রেখেছে অ্যাপ্ল। সেটি ১২, ১৮ বা ২৪ মেগাপিক্সেল হতে পারে। তবে, শেষেরটি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি, বলছেন টেক বিশেষজ্ঞদের একাংশ। এ ছাড়া, ফোনটির ব্যাটারির আকার হবে ৪,০০০ এমএইচ-এর কম। যেটি আবার ৪০ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিংয়ের সুবিধাযুক্ত। পাশাপাশি, আইপি ৬৮ ওয়ারলেস চার্জিংয়ের সুবিধাও পাবেন গ্রাহক।