নতুন ফোন কেনা সত্ত্বেও কাটছে না পুরনোর মায়া! তাই ‘ব্যাকআপ’ হিসেবে ‘বুড়ো’ হয়ে যাওয়া মুঠোবন্দি ডিভাইসকে ঘরে রেখে দেন অনেকেই। কিন্তু, দীর্ঘ দিন অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকলেও খারাপ হতে পারে ফোনের ব্যাটারি। কী উপায়ে বাঁচিয়ে রাখবেন পুরনো মডেল? আনন্দবাজার ডট কম-এর এই প্রতিবেদনে রইল তার হদিস।
পুরনো ফোন বাঁচানোর ক্ষেত্রে নানা মুনির নানা মত। কেউ কেউ, ব্যাটারিকে শূন্যে নামিয়ে এনে আলমারির লকারে রেখে দেন ডিভাইস। অনেকে আবার ১০০ শতাংশ চার্জ দিয়ে তুলে রাখেন পুরনো ফোন। দু’টি পদ্ধতিতেই ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে যেতে থাকে সংশ্লিষ্ট মডেল। ফলে, প্রয়োজনের সময় আর কাজ না-ও করতে পারে সেটি।
এ ব্যাপারে অবশ্য বেশ কিছু টোটকা মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে অ্যাপ্ল বা স্যামসাঙের মতো বহুজাতিক স্মার্টফোন নির্মাণকারী সংস্থা। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকলে ধীরে ধীরে কমতে থাকে সংশ্লিষ্ট মডেলের ব্যাটারির শক্তি। প্রযুক্তির পরিভাষায় একে বলে ‘ডিপ ডিসচার্জ’।
বিশেষজ্ঞদের কথায়, চার্জশূন্য অবস্থায় ফোন দীর্ঘ দিন ফেলে রাখলে পরে সেই ফোনের ব্যাটারি আর চার্জ নাও নিতে পারে। অপর দিকে, ১০০ শতাংশ চার্জ দিয়ে ফোন ফেলে রাখার আবার অন্য সমস্যা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে আবার হ্রাস পায় ব্যাটারির সক্ষমতা। অর্থাৎ, মাত্র ছ’মাসে ৫,০০০ এমএইচ-এর ব্যাটারি নেমে আসতে পারে ৪,০০০ এমএইচ-এ।
আর তাই অ্যাপ্লের পরামর্শ হল, ৫০ শতাংশ চার্জ দিয়ে পুরনো ফোন ঘরে ফেলে রাখতে পারেন ব্যবহারকারী। অন্য দিকে, ৪০ থেকে ৭০ শতাংশ চার্জ দিয়ে রাখার কথা বলেছে স্যামসাং। তা ছাড়া, চার্জ দেওয়া হয়ে গেলে অবশ্যই সুইচ অফ করে রাখতে হবে পুরনো ফোন।
পাশাপাশি, প্রতি ছ’মাস অন্তর ওই পুরনো ফোনে ফের ৫০ শতাংশ বা ৪০-৭০ শতাংশ চার্জ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে অ্যাপ্ল ও স্যামসাং। এ ভাবে চার্জ টপ আপ করে গেলে দিব্যি সুস্থ-সবল থাকবে ‘বুড়ো’ হয়ে যাওয়া মডেল, জানিয়েছে ওই দুই বহুজাতিক সংস্থা।