ধানখেতে ঢুকে পড়েছিল বুনো হাতি। মশাল দিয়ে তাড়ানোর চেষ্টা করার ফল হল উল্টো। স্থানীয়দের দিকেই তেড়ে গেল গজরাজ! কয়েক জনকে পিষে মেরে ফেলার চেষ্টাও করল। চাঞ্চল্যকর তেমনই একটি ঘটনার ভিডিয়ো সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। হইচইও ফেলেছে। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, ধানখেতে ঢুকে পড়া একটি হাতিকে তাড়াতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন স্থানীয়েরা। মশাল নিয়ে সেটির দিকে তেড়ে যাচ্ছেন। কিন্তু ফল হল উল্টো। হাতিটিকে তাড়ানোর চেষ্টা সত্ত্বেও হাঁটু-সমান কাদার মধ্যে সেটিকে দ্রুতগতিতে তেড়ে আসতে দেখা যায় স্থানীয়দের দিকে। প্রাণ বাঁচাতে দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে ছুটতে শুরু করেন তাঁরা। অনেকের হাতির পায়ের নীচে চাপা পড়ারও উপক্রম হয়। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে।
আরও পড়ুন:
এক্স হ্যান্ডলে ভিডিয়োটি শেয়ার করেছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ সচিব পিএম ঢাকাতে। ভিডিয়োর কৃতিত্ব শ্যাম ওরাওঁ এবং সন্তোষ লাকরাকে দেওয়া হয়েছে। ভিডিয়োটি শেয়ার করে ঢাকাতে ব্যাখ্যা করেছেন, ধানখেতের হাঁটু-সমান কাদাতেও হাতি আশ্চর্যজনক ভাবে দ্রুত চলতে পারে, যেখানে এক জন মানুষের পক্ষে কাদার মধ্যে হাঁটাচলা করা কঠিন। হাতির চওড়া পায়ের কারণে নরম মাটিতে তাদের বিশাল শরীরের ভার ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই দ্রুতগতিতে ছুটতে শুরু করতে পারে। ঢাকাতে সতর্ক করে এ-ও জানিয়েছেন, হাতি যখনই নিজেকে বিপন্ন মনে করে তখন সে বিপজ্জনক হয়ে পড়তে পারে। মশাল জ্বালিয়ে বা পটকা ছুড়ে হাতিকে তাড়ানোর চেষ্টা করলে হিতে বিপরীত হতে পারে বলেও সাবধান করেছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ সচিব। ঢাকাতে লিখেছেন, ‘‘হাতিকে দেখে ধীরগতির মনে হলেও আসলে তা নয়।’’ বুনো হাতির মুখোমুখি হলে প্রাণীটিকে পর্যাপ্ত জায়গা দিতে, ঘিরে না ফেলতে এবং সে যাতে নির্বিঘ্নে সরে যেতে পারে তার জন্য একটি পথ খোলা রাখারও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ সচিবের শেয়ার করা ভিডিয়োটি ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখার পর নেটাগরিকদের অনেকে যেমন বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, তেমনই আবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে। এক নেটাগরিক ভিডিয়োটি দেখার পর লিখেছেন, ‘‘সাবধান! হাতির পিছনে লাগার চেষ্টা করলে ফল ভয়ঙ্কর হতে পারে।’’