E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

জাতীয় সড়কের ধারে নয়ানজুলি ভরাটের নালিশ ডায়মন্ড হারবারে

দলনঘাটা এলাকায় জাতীয় সড়কের ধারে সরকারি আবর্জনা পুনর্ব্যবহার কেন্দ্র রয়েছে। তার পাশেই গড়ে উঠছে পেট্রল পাম্প, গেস্টহাউজ়-সহ একাধিক দোকান।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৯:৪৭
এ ভাবেই ভরাট হচ্ছে নয়ানজুলি।

এ ভাবেই ভরাট হচ্ছে নয়ানজুলি। নিজস্ব চিত্র।

জাতীয় সড়কের ধার বরাবর নয়ানজুলি বুজিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ডায়মন্ড হারবারের দলনঘাটা এলাকার এই ঘটনার জেরে ক্ষোভ ছড়িয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। নিকাশিনালা ও সেচ খালগুলি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় অল্প বৃষ্টিতেই জলমগ্ন হয়ে পড়ে বিস্তীর্ণ এলাকা। এরই মধ্যে নয়ানজুলিতে সাদা বালি ফেলে ধীরে ধীরে জলনিকাশির পথ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। আগামী দিনে এলাকায় জল জমার সমস্যা আরও বাড়তে পারে বলে অনেকের আশঙ্কা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দলনঘাটা এলাকায় জাতীয় সড়কের ধারে সরকারি আবর্জনা পুনর্ব্যবহার কেন্দ্র রয়েছে। তার পাশেই গড়ে উঠছে পেট্রল পাম্প, গেস্টহাউজ়-সহ একাধিক দোকান। জাতীয় সড়কের ধারে থাকা এই নয়ানজুলিটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার জলনিকাশির অন্যতম মাধ্যম। বর্ষায় আশপাশের এলাকার জল এই নয়ানজুলি দিয়ে গিয়ে বড় খালে পড়ে। অভিযোগ, ইতিমধ্যেই নয়ানজুলির একাংশ বুজে গিয়েছে। স্থানীয় অনেকের আশঙ্কা, এ ভাবে নয়ানজুলি ভরাট হতে থাকলে বর্ষায় জল বেরোনোর পথ বন্ধ হয়ে যাবে। বিশেষ করে, ভারী বৃষ্টির সময়ে আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দা হরিহর মণ্ডল বলেন, “প্রকাশ্যে নয়ানজুলি ভরাট করে দেওয়া হয়েছে। এলাকার জমা জল বের হওয়ার জায়গা নেই।” অলোক হালদারের অভিযোগ, “এই ভাবে প্রকাশ্যে ভরাট করা হচ্ছে। অথচ, এখনও পর্যন্ত প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি।’’ বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। সিপিএমের অভিযোগ, জেলার প্রভাবশালী বিজেপি নেতাদের মদতেই নয়ানজুলি ভরাট করা হয়েছে। দলের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা কমিটির সদস্য দেবাশিস ঘোষ বলেন, ‘‘খোঁজ নিয়ে দেখুন, বিজেপি নেতারাই এই কাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তৃণমূল চলে গেলেও বিজেপি নেতারা একই রকম অবৈধ কাজ করছেন।’’ অভিযোগ অস্বীকার করে ডায়মন্ড হারবারের প্রাক্তন বিধায়ক তথা বিজেপি নেতা দীপক হালদার বলেন, ‘‘এই ধরনের কোনও ঘটনার সঙ্গে বিজেপি জড়িত নয়। ঘটনার সত্যতা থাকলে অবশ্যই আইনি পদক্ষেপ করা হবে।” প্রশাসনের তরফে প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Diamond Harbour

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy