E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

তৈরির ছ’মাসের মধ্যেই খানাখন্দে ভরেছে রাস্তা

২০২৫ সালের ২২ ডিসেম্বর এই রাস্তা তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। প্রায় দু’মাস ধরে এই কাজ চলে। কিন্তু তৈরির মাত্র কয়েকমাসের মধ্যেই রাস্তা খারাপ হতে শুরু করে। গর্ত হয়ে যায় রাস্তায়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৮ জুলাই ২০২৬ ০৪:১৩
এই রাস্তা নিয়েই অভিযোগ।

এই রাস্তা নিয়েই অভিযোগ। ছবি: প্রসেনজিৎ সাহা।

মাত্র ছ-মাস আগেই পথশ্রী-৪ প্রকল্পে তৈরি হয়েছিল প্রায় সাড়ে চার কিমি রাস্তা। বাসন্তী ব্লকের রামচন্দ্রখালি গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত সোনাখালি থেকে পাঠানখালি খেয়াঘাট পর্যন্ত তৈরি হওয়া এই রাস্তা তৈরি করতে খরচ হয়েছিল ২ কোটি, ৬৫ লক্ষ টাকা। অভিযোগ, মাত্র ছ’মাসের মধ্যেই খানাখন্দে ভরেছে গোটা পথ।

স্থানীয়েরা জানান, এই রাস্তা দিয়েই গোসাবা ব্লকের একমাত্র তথা সুন্দরবনের অন্যতম হাজি দেশারথ কলেজে প্রতিদিন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা যেমন যাতায়াত করেন, তেমনই গোসাবা ব্লকের পাঠানখালি, শম্ভুনগর, কচুখালি-সহ আশপাশের এলাকার কয়েক হাজার মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করেন। এই রাস্তা তৈরির সময়েই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগে সরব হয়েছিলেন এলাকার মানুষজন। কিন্তু সে সবে কান না দিয়ে ঠিকাদার সংস্থা এই রাস্তা তৈরি করেন।

২০২৫ সালের ২২ ডিসেম্বর এই রাস্তা তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। প্রায় দু’মাস ধরে এই কাজ চলে। কিন্তু তৈরির মাত্র কয়েকমাসের মধ্যেই রাস্তা খারাপ হতে শুরু করে। গর্ত হয়ে যায় রাস্তায়। বর্ষা শুরু হতেই এই রাস্তার হাল আরও খারাপ হয়েছে। খানা-খন্দে জল জমায় চলাচল করতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হচ্ছে নিত্যযাত্রী থেকে শুরু করে অটো, টোটো-সহ অন্য গাড়ি চালকদের।

স্থানীয় অটো চালক নিতাই সর্দার, সাহাবুদ্দিন মোল্লারা বলেন, “ দীর্ঘদিন ধরে খারাপ থাকার পরে মাত্র ছ’মাস আগে এই রাস্তা তৈরি হয়। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা তৈরি হওয়ায় গোড়াতেই আমরা প্রতিবাদ করেছিলাম।’’

এলাকার বিজেপি নেতা বিকাশ সর্দার বলেন, “দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূল নেতাদের মদতে সরকারি টাকা তছরুপের অন্যতম নিদর্শন এই রাস্তা। এত কাটমানি খেয়েছেন তৃণমূলের নেতারা, যার ফল এলাকার সাধারণ মানুষকে ভুগতে হচ্ছে। ছ’মাসের মধ্যেই রাস্তা কখনও খানাখন্দেভরে যেতে পারে? সঠিক তদন্ত করা হোক, নিম্নমানের কাজ করার জন্য ঠিকাদার সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”

তৃণমূলের তরফে অবশ্য কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাসন্তী ব্লক প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, “রাস্তা বেহালের খবর পেয়েছি। কী ভাবে রাস্তা তৈরি হয়েছিল সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Poor condition of road basanti

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy