E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

জলমগ্ন স্কুল, স্থায়ী সমাধানের দাবি

বিদ্যালয় সূত্রের খবর, বৃষ্টি হলেই প্রধান প্রবেশদ্বারের সামনে হাঁটুসমান জল জমে। সেই জল পেরিয়েই স্কুলে ঢুকতে হয় ছাত্রছাত্রীদের। মূল ভবনের দক্ষিণ দিকের অন্তত চারটি শ্রেণিকক্ষেও জল ঢুকে পড়ায় নিয়মিত ক্লাস নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৮ জুলাই ২০২৬ ০২:৩৪
জল পেরিয়ে স্কুলে ঢুকছেন শিক্ষক, পড়ুয়ারা।

জল পেরিয়ে স্কুলে ঢুকছেন শিক্ষক, পড়ুয়ারা। ছবি: সৈকত ঘোষ।

গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়ছে ডায়মন্ড হারবারের রায়নগর কেএস পুর-বিদ্যালয়। বর্তমানে স্কুলের মূল ফটক, একাধিক শ্রেণিকক্ষ, শৌচাগার ও গোটা চত্বর জলের তলায় চলে গিয়েছে। ফলে স্বাভাবিক পঠনপাঠন ব্যাহত হচ্ছে। দীর্ঘক্ষণ জল জমে থাকায় সাপ-ব্যাঙের উপদ্রব বেড়েছে। আতঙ্কের মধ্যেই স্কুলে আসতে হচ্ছে পড়ুয়াদের। দ্রুত ও স্থায়ী জলনিকাশি ব্যবস্থার দাবি তুলেছেন স্কুল কর্তৃপক্ষ।

বিদ্যালয় সূত্রের খবর, বৃষ্টি হলেই প্রধান প্রবেশদ্বারের সামনে হাঁটুসমান জল জমে। সেই জল পেরিয়েই স্কুলে ঢুকতে হয় ছাত্রছাত্রীদের। মূল ভবনের দক্ষিণ দিকের অন্তত চারটি শ্রেণিকক্ষেও জল ঢুকে পড়ায় নিয়মিত ক্লাস নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে অন্য কক্ষে পঠনপাঠনের ব্যবস্থা করতে হচ্ছে, কখনও আবার সাময়িক ভাবে ক্লাসও বন্ধ রাখতে হচ্ছে। টানা কয়েক দিন জল জমে থাকায় বিদ্যালয়ের পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি, জমা জলের কারণে স্কুল চত্বরে সাপ ও ব্যাঙ ঢুকে পড়ায় ছোটদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। শিক্ষক ও অভিভাবকদের আশঙ্কা, এ পরিস্থিতিতে সংক্রামক রোগ ছড়ানোর ঝুঁকিও রয়েছে।

পড়ুয়া প্রীতম হালদার ও করিশ্মা খাতুন বলে, “খুব সমস্যা হচ্ছে। ঠিক ভাবে ক্লাস করতে পারছি না। জল পেরিয়ে স্কুলে ঢুকতে হচ্ছে। বৃষ্টি হলেই স্কুলে আসতে ভয় লাগে।”

অভিভাবকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় পর্যাপ্ত নিকাশি ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই জল জমে। টানা বা ভারী বর্ষায় সেই সমস্যা আরও প্রকট হয়। অভিভাবক নমিতা হালদার ও সন্দীপ মাঝি বলেন, “স্কুলে জলযন্ত্রণার সমস্যা বাড়ছে। বর্ষায় ছেলেমেয়েরা স্কুলেই যেতে চায় না। আমরা চাই দ্রুত সমস্যার সমাধান হোক।”

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক চন্দন রায় বলেন, “সত্যিই খুব সমস্যা হচ্ছে। বিষয়টি পুর প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। আমরা চাই স্থায়ী সমাধান হোক, যাতে পড়ুয়াদের আর দুর্ভোগ পোহাতে না হয়।”

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Students

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy