দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ের মাধবপুর থানার বেলিয়াডাঙ্গা গ্রামে শনিবার গভীর রাতে এক আইএসএফ কর্মীকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে। নিহতের নাম আতাবুদ্দিন মোল্লা। আইএসএফ কর্মীদের একাংশের অভিযোগের আঙুল বিজেপির দিকে। যদিও বিজেপি অভিযোগ অস্বীকার করেছে। অন্য দিকে, মৃতের পরিবারেরও দাবি, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে রাজনৈতিক যোগ নেই। অভিযুক্তেরা থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন বলে দাবি নিহতের আত্মীয়দের। কী কারণে এই খুন, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে মাধবপুর থানার পুলিশ।
আইএসএফ কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, বিজেপি নেতা গোলাম সরোয়ার এবং তাঁর দাদা মোস্তফা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ৪৫ বছরের আতাবুদ্দিনকে খুন করেছেন। ঘটনার পর থেকে বেলিয়াডাঙ্গা গ্রামে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় পুলিশ পিকেট মোতায়েন করা হয়েছে। আইএসএফ নেতা গাজি সাহাবুদ্দিন সিরাজি বলেন, ‘‘যাঁরা খুন করেছেন, তাঁরা বর্তমানে বিজেপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। খুনের নেপথ্যে রাজনৈতিক অভিসন্ধি রয়েছে কি না, জানি না। এলাকায় ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে স্বার্থসিদ্ধি করতে চাইতে পারে!’’
নিহতের তুতো ভাই সোহরাবুদ্দিন মোল্লা যদিও রাজনৈতিক-যোগ মানতে চাননি। তিনি জানান, দিন কয়েক আগে অভিযুক্তদের সঙ্গে বচসা হয়েছিল নিহতের। তার জেরে হত্যা করা হতে পারে। তাঁর কথায়, ‘‘দিন কয়েক আগে বৌদিকে হেনস্থা করেছিলেন অভিযুক্তেরা। সেই নিয়ে ঝামেলা হয়েছিল। তা ছাড়া কখনও কোনও বিবাদ হয়নি।’’
বিজেপি যাদবপুর সাংগঠনিক জেলা সহসভাপতি অবনী মণ্ডল বলেন, ‘‘বিজেপি খুনের রাজনীতি করে না। পারিবারিক কারণে খুন হয়েছেন ওই ব্যক্তি। যিনি খুন করে আত্মসমর্পণ করেছেন, তাঁর দাদা বিজেপি করেন বলে দলের উপর দায় চাপানো যায় না। পুলিশ তদন্ত করবে।’’