ভাঙড় কলেজে গোলমালের ঘটনায় এ বার চার জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতদের নাম শাহরুখ আখতার আলি মোল্লা, আসলাম হাবিব, রবিউল মিস্ত্রি এবং রবিউল জামান শেখ। দু’টি পৃথক মামলায় তাঁদের পাকড়াও করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
কলেজ পরিচালন সমিতির সভাপতি তথা বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসুর ক্যাম্পাসে উপস্থিতি ঘিরে সোমবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় কলেজ। এসএফআই এবং এবিভিপি-র মধ্যে হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরিস্থিতি সামলাতে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশও। ওই উত্তেজনার সময়ে এবিভিপি-র সমর্থক ছাত্রীদের উদ্দেশে আপত্তিকর মন্তব্য করারও অভিযোগ উঠেছে। এ বার কলেজের অশান্তির ঘটনায় চার জনকে গ্রেফতার করা হল।
ভাঙড় থানার স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন রবিউল মিস্ত্রি এবং রবিউল জামান। পুলিশ সূত্রে খবর, তাঁদের বিরুদ্ধে অবৈধ জমায়েত, বেআইনি ভাবে কলেজে প্রবেশ, পরিচালন সমিতির সভাপতিকে বাধা দেওয়া-সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। অন্য দিকে, এবিভিপি সমর্থক পড়ুয়াদের একাংশের তরফেও ভাঙড় থানায় লিখিত অভিযোগ জানানো হয়। ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে গ্রেফতার হয়েছেন শাহরুখ এবং আসলাম।
আরও পড়ুন:
ধৃতদের চার জনকেই মঙ্গলবার হাজির করানো হবে বারুইপুর আদালতে। সোমবারের উত্তেজনার পর মঙ্গলবার সকাল থেকেই ভাঙড় কলেজ চত্বরের সামনে বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট। নতুন করে যাতে কোনও অশান্তি না ছড়ায়, সে দিকেও নজর রাখছে পুলিশ।
সম্প্রতি ভাঙড় কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতি করা হয় বিজেপি নেতা সায়ন্তনকে। কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতি হিসেবে সোমবারই প্রথম কলেজে যান তিনি। প্রথম দিনেই বাধার মুখে পড়েন। দুপুরে তাঁর গাড়ি কলেজের গেটে পৌঁছোতেই শুরু হয় উত্তেজনা। বাম ছাত্র সংগঠনের পড়ুয়াদের সঙ্গে আইএসএফ সমর্থকেরা সেখানে হাজির হন বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। পাল্টা স্লোগান দিতে শুরু করে এবিভিপি। কিছুক্ষণের মধ্যে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কলেজ চত্বর।