E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

তিন পঞ্চায়েতে জমছে বর্জ্য, সমস্যায় বাসিন্দারা

এই পরিস্থিতিতে নাভিঃশ্বাস উঠছে বাসিন্দাদের। তাঁদের বক্তব্য, বাড়ি বাড়ি আবর্জনা সংগ্রহের জন্য তাঁরা পঞ্চায়েতে মাসিক ৫০ টাকা কর দেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৯ অগস্ট ২০২৬ ০৯:০৩
কোন্নগরের নবগ্রাম পঞ্চায়েতে জমছে আর্বজনা।

কোন্নগরের নবগ্রাম পঞ্চায়েতে জমছে আর্বজনা। —নিজস্ব চিত্র।

বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ প্রকল্প নেই হুগলির উত্তরপাড়া পুরসভা লাগোয়া কানাইপুর, নবগ্রাম এবং রঘুনাথপুর পঞ্চায়েতে। ওই তিন পঞ্চায়েতের সংগৃহীত বর্জ্য গত কয়েক বছর
ধরে শহরের মাখলায় নিজেদের প্রতিস্থাপন প্রকল্পে নিয়ে আসত উত্তরপাড়া পুরসভা। অভিযোগ, গত কয়েক দিন ধরে পুরসভা তা করছে না। ফলে তিন পঞ্চায়েত এলাকাতেই আবর্জনা জমছে। দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। বৃষ্টিতে তা দ্রুত পচে আরও দুর্বিষহ অবস্থা হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে নাভিঃশ্বাস উঠছে বাসিন্দাদের। তাঁদের বক্তব্য, বাড়ি বাড়ি আবর্জনা সংগ্রহের জন্য তাঁরা পঞ্চায়েতে মাসিক ৫০ টাকা কর দেন। তাঁরা চান, অবিলম্বে ফের আগের মতো বর্জ্য তুলে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হোক। এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হোক।

ওই তিন পঞ্চায়েত উত্তরপাড়া-শ্রীরামপুর ব্লকে। বিডিও কুন্তল রায় বলেন, ‘‘হঠাৎ করেই না জানিয়ে আবর্জনা নেওয়া বন্ধ করা হয়েছে তিনটি পঞ্চায়েত এলাকা থেকে। এই বিষয়ে জেলা পর্যায়ে কিন্তু একটি নির্দিষ্ট চুক্তি রয়েছে পুর-কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। আমরা বিষয়টি উচ্চতর কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।’’ রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের জেরে উত্তরপাড়ায় নির্বাচিত পুরবোর্ড ভেঙে গিয়েছে। ওই তিন পঞ্চায়েত এলাকা থেকে আবর্জনা সংগ্রহ কেন বন্ধ, এ ব্যাপারে উত্তরপাড়া পুর-প্রশাসনের বক্তব্য মেলেনি। মঙ্গলবার বিকেলে এ নিয়ে পুর-প্রশাসক সুদেষ্ণা দে মৈত্রকে ফোন করা হলে তিনি বলেন,
‘‘মিটিংয়ে রয়েছি।’’

প্রায় দেড় দশক আগে মাখলার ভাগাড় মোড়ে উত্তরপাড়া পুরসভা বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণের আধুনিক ইউনিট তৈরি করে রাজ্যের পুর ও নগোরন্নয়ন দফতরের তত্ত্বাবধানে। প্রক্রিয়াকরণের ক্ষমতা বেশি হওয়ায় লাগোয়া তিন পঞ্চায়েতের বর্জ্যও এনে ওই কাজে লাগানো শুরু হয়। গত কয়েক দিন ধরে এই ব্যবস্থা বন্ধ থাকায় গ্রামের মানুষ সমস্যায় পড়ছেন। নবগ্রামের বাসিন্দা রূপম চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘আবর্জনা সংগ্রহ বন্ধ প্রায় এক সপ্তাহ। এক নাগাড়ে বৃষ্টি হচ্ছে। তাতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া দরকার। না হলে রোগ ছড়াবে।’’

নবগ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সোমা দাস বলেন, ‘‘আবর্জনার নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আমরা উত্তরপাড়া পুর-কর্তৃপক্ষের উপরে নির্ভরশীল। আবর্জনা দ্রুত পরিষ্কার হওয়া জরুরি। উদ্ভুত পরিস্থিতির কথা প্রশাসনের সবস্তরে জানিয়েছি।’’

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Uttarpara

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy