দুর্গাপুজোর পরেও আনন্দের প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখে তেহট্টের চাঁদেরঘাট গ্রাম। এই গ্রামের কালীপুজো ঘিরে থাকে উৎসাহ-উদ্দীপনা। এই পুজোয় করা হয় বড় বাজেটের থিম, প্যান্ডেল, আলোকসজ্জা। জলঙ্গি নদী দিয়ে ঘেরা এই গ্রামের পুজো দেখতে আশেপাশে বিভিন্ন গ্রামের মানুষ ভিড় জমান। পুজো ঘিরে বসে মেলাও।
আকর্ষণীয় পুজোর থিম, আলোকসজ্জা, মণ্ডপ সহযোগে এবারে চাঁদেরঘাট গ্রামের পুজো যে জমজমাট হবে, সে নিয়ে আশায় রয়েছে পুজো কমিটিগুলি। প্যান্ডেলের অভিনবত্ব ও আলোকসজ্জার বাহারে এই গ্রামের খ্যাতি বহু বছর ধরে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিউ বিদ্রোহী ক্লাবে লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে তৈরি হচ্ছে পঞ্জাবের স্বর্ণমন্দিরের আদলে মণ্ডপ। অভিনবত্ব ও আলোকসজ্জার বাহারের কারণে প্রতি বছর এই ক্লাবে দর্শনার্থীদের ভিড় থাকে প্রচুর। অন্য দিকে, যুব সংস্থার লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে এবারের থিম মধ্যপ্রদেশের রাজ প্যালেস। হিরোজ সঙ্ঘের থিম খেঁজুর পাতা মণ্ডপ। ২২ ফুটের কালী প্রতিমা দেখা যাবে সুভাষ লাইব্রেরি কমিটির পুজোয়। পাশাপাশি থাকবে লেজ়ার শো। দীনবন্ধু স্মৃতি সঙ্ঘের পুজোর থিম ফুল মহল।
আবার, পূর্ব পাড়া নবীন সঙ্ঘের থিম ‘ঐতিহ্যবাহী মণ্ডপ’ । পদাতিক ক্লাবে আলো আর ফুলের মেলবন্ধনে তৈরি হচ্ছে মণ্ডপ। নিউ প্রতিবাদ ক্লাবের থিম বারো মাসে তেরো পার্বণ। আশার আলো পুজো কমিটির এবারের থিম ‘মা’। এ ছাড়াও রেনবো ক্লাব, বুলেট ক্লাব, প্রগতি সঙ্ঘ, আপনজন ক্লাব-সহ একাধিক পুজো কমিটির পুজোয় নানা আকর্ষণ লক্ষ করা যাবে।
পুজোর ক’টা দিন একাধিক মণ্ডপে চলবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। চাঁদেরঘাট পুজোর কর্মকর্তাদের অন্যতম অমিত মণ্ডল, উত্তম মণ্ডল জানান, পুজো আড়ম্বরের সঙ্গে প্রত্যেক বছরই হয়।