মহালয়া, দুর্গাপুজো, দীপাবলির সময় জলপাইগুড়ি শহরের কোনও বাজারে বাজির দোকানে করা যাবে না। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে প্রশাসনের তরফে এমনই নির্দেশ মাইকিং করে দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, শহরের ফণীন্দ্রদেব বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে বসবে আতসবাজির মেলা। সব ব্যবসায়ী সেখানেই আলাদা আলাদা স্টল দিতে পারবেন। দিনবাজারে সারা বছর লাইসেন্স নিয়ে হাতেগোনা কয়েক জন বাজির দোকান চালান। সেই সব দোকানে দুর্ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের নির্দেশ মেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রয়েছে। সে সব দোকানগুলিখোলা থাকবে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, শহরের দিনবাজার ঘিঞ্জি এলাকায় রয়েছে। ওই বাজারে পুজোর আগে লাইসেন্স ছাড়াই কয়েক জন ব্যবসায়ী বাজির দোকান দেন। তার জেরে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। প্রশাসনের আশঙ্কা, জনবহুল এলাকায় অস্থায়ী বাজির দোকানে দুর্ঘটনা ঘটলে মুহূর্তে সেই আগুন ছড়িয়ে পড়তে পারে। তা রুখতেই প্রশাসনের নির্দেশ, সে সব জায়গায় দোকান দেওয়া যাবে না।
প্রশাসনিক সূত্রে খবর, মহালয়ার দুই দিন আগে, ৮ অক্টোবর থেকে ফণীন্দ্রদেব বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে বাজির মেলা শুরু হবে। মহালয়া, দীপাবলী, কালীপুজো, ছটপুজো পর্যন্ত মেলা চলবে। সেখান থেকে শহর ও শহরতলির বাসিন্দারা আতসবাজি কিনতে পারবেন। শব্দবাজি বিক্রি ও মজুত নিষিদ্ধ রয়েছে। এর পরেও একাংশ ব্যবসায়ী শব্দবাজি বিক্রি করেন। জলপাইগুড়ি শহরে মহালয়ার রাতে বাজি পোড়ানো হয়। শব্দবাজিও ফাটানো হয় বলে অভিযোগ। তবে প্রশাসনের দাবি, শব্দবাজি বিক্রি বন্ধে অভিযান, নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে শহরবাসীদের সচেতন করতে মাইকিং করা হচ্ছে।
সরকারি লাইসেন্সপ্রাপ্ত দিনবাজারের বাজি ব্যবসায়ী আনন্দ কুমার কানোরিয়া বলেন, ‘‘লাইসেন্স ছাড়া কোনও বাজির দোকান জনবহুল এলাকা বা বাজারে দেওয়া যাবে না। বাজির মেলা শুরু হচ্ছে, সেখানে দোকান দিতে পারবেন সব ব্যবসায়ী।’’