শিলিগুড়ির পানশালা, পাবের কয়েকটি বেআইনি কার্যকলাপের ঘাঁটি হয়ে উঠছে। মাদক থেকে দেহব্যবসার পাশাপাশি অভিযোগ উঠছে বেআইনি নির্মাণেরও। অভিযোগ, নিয়মবর্হিভূত ভাবে পুরসভার নকশা না মেনে নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রশাসনের নজরদারি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। কোনও অজানা কারণে এক দফায় নজরদারি বা পরিদর্শনের পরে দ্বিতীয় বার অনেক ক্ষেত্রেই তা করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ। সেবক রোড, দুই মাইল থেকে মাটিগাড়ার বিভিন্ন পানশালা, পাবের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠছে।
পুলিশ ও পুরসভা সূত্রে খবর, পাবগুলির কয়েকটির পিছনে প্রভাবশালী যোগ রয়েছে। শিলিগুড়ি পুরসভা এলাকায় এমন একাধিক পাব-এ অবৈধ নির্মাণ রয়েছে। মাটিগাড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাতেও এমন পাব রয়েছে, যেখানে অবৈধ নির্মাণ করা হয়েছে। সেবক রোডে পুর-এলাকার যে সব পাব-এ অবৈধ নির্মাণ রয়েছে, সেখানে পুরসভা একাধিক বার অভিযান চালালেও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে অভিযোগ।
মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি বিধায়ক তথা মন্ত্রী আনন্দময় বর্মণ বলেন, ‘‘আবগারি দফতরের সঙ্গে কথা বলেছি। সেখান থেকে পুলিশের পদক্ষেপের কথা বলা হয়। আবার দুই পক্ষের সঙ্গেই বৈঠক করব। অবৈধ নির্মাণের বিষয়টি নিয়ে জেলাশাসকের সঙ্গে কথা বলবো।’’
শিলিগুড়ি পুরসভার ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে সেবক রোড সংলগ্ন একটি শপিং মলে থাকা পাব-এ বেশিরভাগই অবৈধ নির্মাণ বলে অভিযোগ। কিছু দিন আগে শিলিগুড়ি পুরসভার নতুন কমিশনার ওই পাবে অভিযান চালিয়েছিলেন। সেখানে বাস্তুকারেরা ভবনের নকশা দেখে জানতে পারেন, পাব-এ অবৈধ নির্মাণ তৈরি করা হয়েছে। সেই সময় নোটিসও দেওয়া হয়। কিন্তু এর পরে আর কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। অভিযোগ, মাটিগাড়ার একটি উপনগরীতে থাকা শপিং মলের একটি পাব-এও অবৈধ নির্মাণ রয়েছে। ছাদে তৈরি করা হয়েছে ক্যাফে। পুরসভা এলাকায় সম্প্রতি এক দুই দফায় অভিযান চালানো হলেও পঞ্চায়েত এলাকাগুলিতে নজরদারি নেই বলে অভিযোগ। সেই সুযোগে নির্মাণের ক্ষেত্রে অবৈধ কার্যকলাপ চলছে বলে অভিযোগ। (শেষ)