E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

ঝড়ে পড়া গাছ লুটের অভিযোগ

সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক বিরাজ চন্দ বলেন, ‘‘চোরাকারবারিরা মূল্যবান চিলনি ও শাল গাছ টুকরো টুকরো করে কেটে ছোট গাড়িতে ভরে অন্যত্র পাচার করে দিচ্ছে। যার ফলে সরকারের মোটা অঙ্কের টাকা ক্ষতি হচ্ছে।’’

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০১:১২

—প্রতীকী চিত্র।

ঝড়ে লন্ডভন্ড মালবাজার মহকুমার বিভিন্ন এলাকা। বুধবারের ঝড়ের দাপটে লাটাগুড়ি গরুমারা সংরক্ষিত জঙ্গলেও প্রচুর গাছ উপড়ে পড়ে। লাটাগুড়ি রেঞ্জ ৭১৭ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর উপড়ে পড়া গাছগুলি কাটার কাজ শুরু করলেও এখনও জঙ্গলে গাছ পড়ে রয়েছে। সেই গাছ লুট হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে উত্তরবঙ্গ পরিবেশপ্রেমি যৌথ মঞ্চ।

সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক বিরাজ চন্দ বলেন, ‘‘চোরাকারবারিরা মূল্যবান চিলনি ও শাল গাছ টুকরো টুকরো করে কেটে ছোট গাড়িতে ভরে অন্যত্র পাচার করে দিচ্ছে। যার ফলে সরকারের মোটা অঙ্কের টাকা ক্ষতি হচ্ছে।’’ সংগঠনের আর এক সদস্য অনির্বাণ মজুমদার জানান, মূল্যবান গাছগুলি বাঁচাতে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি দ্রুত যাতে গাছগুলি কেটে বন বিভাগের ডিপোয় সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হয় সেই বিষয়ে জলপাইগুড়ি বন বিভাগের ডিএফও-র কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা।

এ বিষয়ে জলপাইগুড়ি বন বিভাগের অতিরিক্ত বনাধিকারিক জয়ন্ত মণ্ডল বলেন, ‘‘রাস্তার দু’পাশে দু’টি জঙ্গল। লাটাগুড়ি টেরিটোরিয়াল জঙ্গলের দিকে যে গাছগুলি ঝড়ে উপড়ে পড়েছিল সেগুলি কেটে আনা হয়েছে। আর অন্য দিকে গরুমারা জাতীয় উদ্যানের যে গাছগুলি রাস্তার উপরে উপড়ে পড়েছিল রাস্তা পরিষ্কার করার জন্য সেগুলি কেটে রেখে দেওয়া হয়েছে। আইন অনুযায়ী জাতীয় উদ্যানের কোনও গাছ কেটে আনার অধিকার নেই। তবে টেরিটোরিয়াল এলাকার ঝড়ে উপড়ে পড়া প্রায় সব গাছই কেটে ডিপোতে নিয়ে আসা হয়েছে।’’

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Trees

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy