বড় ক্লাবগুলিকে অনুদান না নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বড় ক্লাব বলে পরিচিত একাধিক ক্লাব অনুদানের টাকা ছাড়ছে না। বেশির ভাগ বড় ক্লাব তাদের বাজেট ১০ লাখের মধ্যে দেখিয়েছে যা সাধারণত হয় না বলেই ইঙ্গিত মিলেছে। তবে এক লক্ষ টাকার অনুদান অনেক বড় ক্লাবের কাছেও অনেকটা সাহায্যের হবে বলেই মনে করছেন কর্মকর্তারা।
বালুরঘাট সৃজনী সঙ্ঘের পুজো অন্যতম বড় পুজো বলেই সকলে জানে। যদিও ক্লাবের কর্মকর্তা অরিন্দম চন্দ জানান, বাজেট এ বার দশ লাখের মধ্যে রাখা হয়েছে এবং সরকারি অনুদানের জন্য আবেদন করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘বাড়তি চাঁদার উৎস নেই। ফলে বাজেটের একটা বড় অংশ সরকারি অনুদান থেকে এলে খরচে সুবিধা হয়।’’ আরও কিছু বড় ক্লাব একই রাস্তায় হাঁটছে। বালুরঘাটে ডানলপ মোড় সংলগ্ন একটি ক্লাব, চকভৃগু বাসস্ট্যান্ডের কাছে একটি ক্লাবও বড় বাজেটের পুজো করে। তবে সরকারি অনুদানের আবেদন করেছে সেগুলিও।
কেবল বালুরঘাট নয়, গঙ্গারামপুরেও একই ছবি। অন্যতম বড় ক্লাবগুলির বেশিরভাগই পুজোর বাজেট এ বার দশ লাখের নীচে রাখছে বলে দাবি করেছেন কর্মকর্তারা। চিত্তরঞ্জন স্পোর্টিং অ্যান্ড কালচার ক্লাবের কর্মকর্তা প্রাণগোপাল সাহা জানালেন, তাঁদের ক্লাবেও বাজেট কমানো হয়েছে। সরকারি অনুদানের জন্য আবেদন করা হয়েছে।
যদিও জেলায় কয়েকটি ক্লাব ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে, তারা অনুদানের টাকা নিচ্ছে না। সেই টাকা দিয়ে কিছু বাড়তি ছোট পুজোকে সাহায্য করা যাবে বলেই মনে করছে জেলা প্রশাসন। তবে
এখনও আবেদন অনুমোদনের পর্যায়ে রয়েছে। চূড়ান্ত হয়নি বলে জানান আধিকারিকেরা।