কোথাও মিডডে মিলে চিকেন বিরিয়ানি, কোথাও পনির। বুধবার এমনই ছবি দেখা গেল মালদহের বামনগোলার ইশাহাকপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পুরাতন মালদহের কাদিরপুর কিরণময়ী প্রাথমিকে। মিডডে মিলে বরাদ্দ নিয়ে নানা সমস্যার মধ্যে স্কুলগুলিতে পড়ুয়াদের পাতে ভিন্ন স্বাদের খাবার পড়ায় স্বস্তি জেলা শিক্ষা দফতরে। খুশি খুদেরাও।
বামনগোলার মদনাবতী পঞ্চায়েতের নালাগোলার আদিবাসী প্রধান ইশাহাকপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রাক্-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত স্কুলে ১০৫ জন পড়ুয়া রয়েছে। দুই পার্শ্বশিক্ষককে নিয়ে স্কুলের শিক্ষক সংখ্যা ছয়। দুপুরে মিডডে মিলে খাওয়ানো হয় চিকেন বিরিয়ানি, দাবি কর্তৃপক্ষের। পুরাতন মালদহের সাহাপুরপঞ্চায়েতের কিরণময়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়েও ছাত্রছাত্রীদের মিডডে মিলে খাওয়ানো হয় ভাত-ডালের সঙ্গে পনিরের তরকারি।
রাজ্যের একাধিক স্কুলে মিডডে মিলের টাকা দু’মাস ধরে না মেলার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, টাকা না-পেয়ে মুদির দোকানে ধার নিয়ে মিডডে মিল চালাচ্ছে বহু স্কুল। সেখানে মিডডে মিলে চিকেন বিরিয়ানি কী ভাবে পাতে পড়ছে? ইশাহাকপুর প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক মানস গোস্বামী বলেন, “ব্লকে মিডডে মিলে বরাদ্দ নিয়ে সমস্যা নেই। পড়ুয়াদের আবদারে এ দিন চিকেন বিরিয়ানি খাওয়ানো হয়। পৌষপার্বনে পিঠেপুলি, জন্মাষ্টমীতে তালের বড়া খাওয়ানো হয়েছে। শিক্ষক দিবসে মাংস ভাত খাওয়ানো হয়েছিল।”
মিডডে মিলে বরাদ্দ নিয়ে জেলায় কোনও সমস্যা নেই বলে জানিয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদ। এ দিন মিডডে মিলে চিকেন বিরিয়ানি পেয়ে পঞ্চম শ্রেণির সরস্মিতা কিস্কু, মহম্মদ মীর রহমান, মনোরঞ্জন হেমব্রমেরা এই দিন জানিয়েছে, “বিরিয়ানি খেতে খুব ভাল লাগে। এ দিন স্কুলে মিডডে মিলে বিরিয়ানি পেয়ে ভাল লাগছে।”