শিলিগুড়ির নতুন পানীয় জল প্রকল্পের জন্য বনাঞ্চল এলাকায় ‘ইনটেক ওয়েল’ তথা জল উত্তোলন কেন্দ্র তৈরিতে সম্মতি দিল কেন্দ্রীয় সরকার। বন, পরিবেশ এবং জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রক ওই সম্মতি দিয়েছে। তাদের অধীনে জাতীয় বন্যপ্রাণ বোর্ডের সংশ্লিষ্ট বিষয়ক কমিটির ৯১-তম বৈঠকে ৯ জুলাই এ নিয়ে সম্মতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সম্প্রতি তা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে। বিষয়টি রাজ্যের মাধ্যমে পুরসভাকে জানানো হলে ওই কাজ শুরু করা হবে।
প্রস্তাবিত ওই ইনটেক ওয়েল গজলডোবায় বন্যপ্রাণ সংরক্ষিত এলাকার মধ্যে পড়ে। বন এবং পরিবেশ মন্ত্রকের সম্মতি না পাওয়া পর্যন্ত সেই কাজ শুরু করা সম্ভব হচ্ছিল না। এ বার সেই বাধা কাটতে চলেছে। নির্বাচিত পুরবোর্ড এখন নেই। শিলিগুড়ি পুরসভার জল প্রকল্পের কাজে গতি নিয়ে তাই প্রশ্ন উঠছিল। তবে তার মধ্যে গজলডোবায় তিস্তায় ওই প্রকল্পের প্রধান ইনটেক ওয়েল গড়তে বন ও পরিবেশ মন্ত্রক সম্মতি দেওয়ায় কাজে গতি আসবে বসে আশা।
পুরসভা সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই বন এবং পরিবেশ মন্ত্রকের বৈঠকে শিলিগুড়ির পানীয় জল প্রকল্পের ওই কাজ করতে সম্মতি দেওয়া হয়েছে। তারা রাজ্যকে বিষয়টি জানাবে। রাজ্যের তরফে পুরসভায় নির্দেশ পৌঁছলে কাজ শুরু করা হবে। পুর কমিশনার বীরবিক্রম রাই বলেন, ‘‘ইনটেক ওয়েলের জন্য বন এবং পরিবেশ মন্ত্রকের সম্মতিপত্র পেলে কাজেও
গতি আসবে।’’
অম্রুত প্রকল্পে শিলিগুড়ি শহরের জন্য ওই পানীয় জল প্রকল্প গড়ে উঠছে ৫১১ কোটি টাকায়। পুরনো প্রকল্পে চাহিদামতো জল মিলছে না। গজলডোবায় তিস্তা থেকে জল তুলে ২৭ কিলোমিটার পাইপলাইনের মাধ্যমে তা পাঠানো হবে ফুলবাড়িতে। ফুলবাড়িতে ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টে সেই জল পরিস্রুত করে সরবরাহ করা হবে শিলিগুড়ি শহরে। ইতিমধ্যে গজলডোবা থেকে ফুলবাড়ি পর্যন্ত পাইপলাইন পাতার কাজ হয়েছে। ফুলবাড়িতে জল ধরে রাখার পুকুর খনন, নতুন ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের
কাজ চলছে।