ডিজিটাল জন্ম শংসাপত্র পেতে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। বার বার পুরসভায় গিয়েও মিলছে না শংসাপত্র। পুরনো জন্ম শংসাপত্র ডিজিটাল না করলে আধার কার্ড সংশোধনের ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে। ১৮-২০ বছর আগে ডিজিটাল জন্ম শংসাপত্র ছিল না, সকলের রয়েছে হাতে লেখা পুরসভা থেকে দেওয়া শংসাপত্র। বর্তমানে সেই শংসাপত্র দিয়ে আধার কার্ড সংশোধন বা নতুন ভোটার কার্ডে আবেদন করতে পারছেন না অনেকেই। বিশেষ করে যাঁদের মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড নেই তাঁরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন। নতুন রাজ্য সরকার অধিকাংশ পুরসভায় জন্ম শংসাপত্র প্রদান প্রক্রিয়া যাচাই করতে তদন্ত শুরু করেছে। জলপাইগুড়ি পুরসভায় বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেছিল পুলিশ। এর পর থেকে ডিজিটাল জন্ম শংসাপত্র প্রদানের পোর্টাল বন্ধ করা হয়। তবে এখন পোর্টাল ফের
খোলা হয়েছে।
জলপাইগুড়ি পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনায় প্রশাসনিক কাজেও সমস্যা হচ্ছে। দীর্ঘ দিন ধরে তিনি পুরসভায় আসছেন না৷ শহরের এক বাসিন্দা শ্যামল দাস বলেন, ‘‘আমার ছেলের আধার কার্ড সংশোধন করতে হবে। ডিজিটাল জন্ম শংসাপত্র ছাড়া হবে না, শংসাপত্রের জন্য পুরসভায় কয়েকবার গিয়েও কাজ হয়নি।’’
পুরসভার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, কিছু দিন ধরে ডিজিটাল জন্ম শংসাপত্রের আবেদনের পোর্টাল বন্ধ ছিল। এখন খুলে দেওয়া হয়েছে, ধাপে ধাপে সব আবেদনের কাজ সম্পূর্ণ করা হবে।