E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

রূপচর্চায় ভিড় বেড়েছে পার্লার, স্যাঁলোয়

কোচবিহারের সুনীতি রোড সংলগ্ন একটি পার্লারের মালিক জিয়া পাল জানান, তাঁর তিনটি পার্লার রয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ০০:৫৮
রূপচর্চা। কোচবিহারে।

রূপচর্চা। কোচবিহারে। নিজস্ব চিত্র।

শহরের একটি নার্সিংহোমের এক চিকিৎসকের সাক্ষাতের সময় নিতে গিয়েছিলেন এক রোগীর আত্মীয়। সময় পেয়েছিলেন চারদিন পর। আবার এক নামী চিকিৎসককে পরামর্শ নিতে নাম লেখাতে হয় অন্ততপক্ষে চব্বিশ ঘণ্টা আগে। পুজোর মরসুমে বিউটিশিয়ানরাও যেন পাল্লা দিচ্ছেন সেই চিকিৎসকদের সঙ্গে। কোচবিহারের মতো পরিস্থিতি ততটা ঘোরালো না হয়ে উঠলেও এক একটি পার্লারে বা স্যাঁলোতে আগাম নাম নথি ভুক্ত করতে হচ্ছে। কোথাও চার-পাঁচ ঘণ্টা বাদে, কোথাও আবার চব্বিশ ঘণ্টা বাদে মিলছে সময়। বিশেষ করে নামী পার্লারগুলিতে ভিড় বাড়ছে বেশি। কোথাও কোথাও আবার কাজ চলছে মধ্যরাত পর্য়ন্ত।

কোচবিহারের সুনীতি রোড সংলগ্ন একটি পার্লারের মালিক জিয়া পাল জানান, তাঁর তিনটি পার্লার রয়েছে। সুনীতি রোড ছাড়াও একটি চাকির মোড়ে অন্যটি সোনাপুর-ফালাকাটা রোডের পলাশবাড়িতে। শনিবার তিনি প্রায় রাত ২টা পর্যন্ত কাজ করেছেন। তিনি বলেন, “সব সময়ই গ্রাহক থাকে। পুজোর সময়ে ভিড় বেড়েছে কয়েক গুণ।” তিনি জানান, বেশির ভাগ মেয়েরা চুলের পরিচর্চা করেন। কেউ কেউ আবার ত্বকেরও যত্ন নেন।

গত কয়েক বছরে কোচবিহার জেলায় বেশ কয়েকটি নামী স্যাঁলোর ফ্র্যাঞ্চাইজি তৈরি হয়েছে। শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে বড় আকারের স্যালোঁ তৈরি করেছেন অনেকেই। স্বাভাবিক ভাবেই সেগুলিতে ভিড় খানিকটা বেশি। এমনই এক ফ্র্যাঞ্চাইজির এক কর্মী বলেন, “পুজো যত এগিয়ে আসে ভিড় তত বেশি হয়। আমরা যত দ্রুত চেষ্টা করি সময় দিতে।” গত কয়েক বছরে কোচবিহার জেলার বহু গ্রামেও তৈরি হয়েছে ‘বিউটি পার্লার’। সেগুলিতেও অন্য সময়ের তুলনায় বাড়ছে ভিড়।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Cooch Behar Durga Puja

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy