দশমীর সন্ধ্যায় সুটুঙ্গার বুকে প্রতিমা নিরঞ্জন ঘিরে উৎসবের আবহ। সেই মঞ্চ থেকেই মাথাভাঙার সুটুঙ্গা নদীকে ঘিরে নতুন স্বপ্ন দেখালেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী তথা মাথাভাঙার বিধায়ক নিশীথ প্রামাণিক। কাশ্মীরের ডাল লেকের আদলে সুটুঙ্গা নদীতে শিকারা রাইড চালুর পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করলেন তিনি।
মন্ত্রী জানান, মাথাভাঙার সুটুঙ্গা নদীকে রাজ্যের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে। শনিমন্দির থেকে সুটুঙ্গা ও মানসাই নদীর মিলনস্থল পর্যন্ত শিকারা রাইড চালু করা হলে সাধারণ মানুষের নৌকাবিহারের শখ পূরণের পাশাপাশি পর্যটন মানচিত্রেও জায়গা করে নিতে পারে মাথাভাঙা। বাড়বে সুটুঙ্গার আকর্ষণও।
মাথাভাঙা শহরের বুক চিরে বয়ে চলা সুটুঙ্গাকে ঘিরে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে শহরের পর্যটনে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে। বিজয়া দশমীতে নৌকায় প্রতিমা নিরঞ্জন দেখতে নদীর দু’পাড়ে ভিড় জমান অসংখ্য মানুষ। সেই নদীতেই নৌকাবিহারের সুযোগ তৈরি হলে উৎসবের কয়েকটি দিনের গণ্ডি পেরিয়ে সারা বছর পর্যটকদের আকৃষ্ট করার সম্ভাবনা তৈরি হবে।
স্থানীয়দের আশা, পর্যটকদের আনাগোনা বাড়লে লাভবান হবেন এলাকার দোকানদার, খাবারের ব্যবসায়ী ও পরিবহণের সঙ্গে যুক্ত মানুষ জন। পাশাপাশি, নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হতে পারে।
দীপাবলির পর থেকেই সুটুঙ্গা নদীতে শিকারা রাইড চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এর জন্য কী ধরনের পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে, প্রকল্পে কত খরচ হতে পারে এবং কবে শিকারা আসবে, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।