সংক্রমণ রোখার লোশন থেকে শুরু করে চর্মরোগের মলম, কাশির সিরাপ, ঘুমের ওষুধ মিলছে না রায়গঞ্জ মেডিক্যালের ফার্মেসি থেকে। ফলে রোগী ও তাঁদের পরিবারের লোকেরা বাইরে থেকে তা কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। বিভিন্ন ওয়ার্ডে গজ ও ব্যান্ডেজের অভাবের অভিযোগও উঠেছে।
কর্তৃপক্ষের দাবি, কয়েক মাস ধরে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর থেকে গজ, ব্যান্ডেজ কেনার আর্থিক বরাদ্দ মিলছে না। মেডিক্যালে নিয়মিত বিভিন্ন ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে না। মেডিক্যালের সুপার প্রিয়ঙ্কর রায় বলেন, ‘‘স্বাস্থ্য দফতরকে মেডিক্যালের সমস্যার কথা জানানো হয়েছে। আর কোনও মন্তব্য করব না।’’ প্রসঙ্গত, বহির্বিভাগে রোগীরা চিকিৎসককে দেখানোর পরে চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁদের ফার্মেসি থেকে বিনাপয়সায় ওষুধ দেওয়া হয়। অভিযোগ, বেশ কিছু দিন ধরে ফার্মেসিতে সংক্রমণ রোখার লোশন ও ছত্রাকজনিত চর্মরোগের মলম। কাশির সিরাপ ও ঘুমের ওষুধ মিলছে না। গজ ও ব্যান্ডেজের অভাবে রোগীদের শরীরে ক্ষতস্থান বেঁধে দেওয়ার কাজ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েছেন নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। হেমতাবাদ ব্লকের শাসনের এক রোগীর আত্মীয় খলিলুর আলি বলেন, ‘‘পথ দুর্ঘটনায় আমার ভাইয়ের পায়ের আঘাত লেগেছে। ফার্মাসিতে সংক্রমণ রোখার লোশন পাইনি।’’ রায়গঞ্জের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সম্পাদক কৌশিক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘দুঃস্থ পরিবারের রোগীরা সেগুলি বাইরে থেকে কিনতে গিয়ে সমস্যায় পড়েছেন।’’ ফার্মাসিস্ট বীরেন রায়ের বক্তব্য, ‘‘বেশ কিছু ওষুধের সরবরাহ না থাকায় রোগীদের বাইরে থেকে তা কিনতে বলা হচ্ছে।’’