বারাণসী, হরিদ্বারের আদলে গঙ্গা আরতি আয়োজিত হল কোচবিহারে। প্রশাসনের উদ্যোগে এই প্রথম বার এমন অনুষ্ঠান হল। রবিবার গঙ্গা আরতি দেখতে মদনমোহন মন্দিরের কাছে বৈরাগী দিঘিতে ভিড় জমালেন প্রচুর মানুষ। সেই ভিড়ে ছিলেন এলাকার বিধায়ক তথা বিধানসভার স্পিকার। পুরকর্মীদের পা ধুইয়ে দিয়ে তাঁদের সম্মান জানালেন তিনি।
পুরকর্মীদের পা ধুইয়ে দিয়ে তাঁদের সম্মান জানালেন এলাকার বিধায়ক তথা বিধানসভার স্পিকার। — নিজস্ব চিত্র।
মদনমোহন মন্দিরে নিয়মিত সন্ধ্যা আরতি হয়। তবে এর আগে কখনও গঙ্গা আরতি হয়নি ওই জেলায়। এই বিষয় উদ্যোগী হয়েছিলেন কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক তথা বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসু। রবিবার অনুষ্ঠানস্থলে ছিলেন কোচবিহার পুরসভার প্রশাসক তথা কোচবিহারের সদর মহকুমা শাসক গোবিন্দ নন্দী-সহ প্রশাসনিক আধিকারিকেরা। গঙ্গা আরতির জন্য ঘাট পরিষ্কার করেছেন যে পুরকর্মীরা, তাঁদের পা ধুইয়ে সম্মান এবং শ্রদ্ধা জানান বিধানসভার স্পিকার রথীন। তিনি বলেন, “হরিদ্বার, বারাণসীতে খুব সুন্দর গঙ্গা আরতি হয়। সেখান থেকে বিশেষ একটি টিম কোচবিহারে এসেছিল। বৈরাগী দিঘিতে তাঁরা আরতি করবেন। গঙ্গা আমাদের সকলের মনের মধ্যে। গঙ্গাজল ছাড়া আমাদের কোনও পুজো সম্পন্ন হয় না। তাই যে কোনও খানে গঙ্গাপুজো হতে পারে। ঈশ্বর যদি চান তবে এখানেও নিয়মিত সন্ধ্যা আরতি হবে।’’
আরও পড়ুন:
প্রশাসন সূত্রে খবর, দেহরাদূন থেকে পাঁচ জন পণ্ডিতকে কোচবিহারে আনার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। আরতি আয়োজনের ওই কাজে সহযোগিতা করছেন কোচবিহার পুরসভা কর্তৃপক্ষ। ৩১ অগস্ট চারটি ঘাটের নামকরণের আলোচনাও হচ্ছে।