অপারেশন সিঁদুর থেকে এক টুকরো দার্জিলিং বা দেবালয়ের মহিমার মতো নানা থিম এ বার কোচবিহারের বিভিন্ন পুজোয় উঠে আসছে। কোচবিহার শহরের ধর্মতলা ইউনিট ক্লাবের পুজোর এ বার সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষ। শহরের এসএন রোড এলাকার ওই বিগ বাজেটের পুজোয় এ বার ‘আলোকের ঝর্ণাধারায়’ ফুটিয়ে তোলা হবে। উদ্যোক্তারা জানান, সেখানেই বিশাল এলাকা জুড়ে অপারেশন সিঁদুরের বিভিন্ন দৃশ্য তুলে ধরা হবে। ধর্মতলা ইউনিট ক্লাবের সম্পাদক নির্মাল্য দে সরকার বলেন, ‘‘প্রতিমা, মণ্ডপ, থিম সব কিছুই দর্শনার্থীদের নজর কাড়বে। অপারেশন সিঁদুরের বীর জওয়ানদের কৃতিত্ব তুলে ধরতে লেজ়ারের মাধ্যমে নানা দৃশ্য দেখানোর ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।’’ উদ্যোক্তারা জানান, কাল্পনিক মন্দিরের আদলে মণ্ডপ হচ্ছে। মণ্ডপের ভিতরেও থাকবে নানা আলোকসজ্জা। এ ছাড়াও নেশা মুক্ত সমাজ তৈরির ব্যাপারে সচেতনতা, প্লাস্টিক বর্জন-সহ নানা ব্যাপারেও পুজোর ভিড়কে কাজে লাগিয়ে সচেতনতার বার্তা দেওয়া হবে। নজর কাড়বে প্রতিমাও।
কোচবিহারের ঘোষ পাড়া ইয়ুথ ক্লাব আবার পুজোর মণ্ডপ সজ্জায় ‘এক টুকরো দার্জিলিং’-কে থিম করেছে। উদ্যোক্তারা জানান, তাঁদের পুজোর এ বার ৭২তম বর্ষ। মণ্ডপের দেবী প্রতিমা তৈরি করছেন কোচবিহারের শিল্পী। ওই পুজোতেই আবার স্থায়ী মন্দিরে সাবেকি এক চালার প্রতিমা দিয়ে নিয়ম নিষ্ঠার সঙ্গে পুজো আয়োজনের রীতিও মানা হয়। এ বারও সে রীতি মেনে পুজো হবে। ক্লাবের সভাপতি সুরজ ঘোষ বলেন, ‘‘এক টুকরো দার্জিলিং দেখার টান দর্শনার্থীদের কেউ এড়াতে পারবেন না। একচালার প্রতিমায় পুজো দিতে, দেখতেও ভক্তদের ভিড় ফি বছরের মত এ বারও উপচে পড়বে।’’
কোচবিহার শহরের ভেনাস স্কোয়ার ক্লাবের পুজোর এ বার ৬১ তম বর্ষ। পুজো কমিটির যুগ্ম সম্পাদক শুভদীপ দাস বলেন, ‘‘দেবালয়ের মহিমা এ বার আমাদের থিম। কাল্পনিক ভাবনায় মণ্ডপ করা হচ্ছে। দর্শনার্থীদের নজর কাড়বেই আমাদের পুজোর আয়োজন।’’ উদ্যোক্তাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, কোচবিহারের শিল্পীদের তৈরি প্রতিমা, চোখ ধাঁধানো আলোকসজ্জা ওই পুজোর এ বারের বাড়তি আকর্ষণ।