রাত পোহালেই গণেশ পুজো। আগে চা বাগান ও জঙ্গলঘেরা কালচিনি ব্লকে এই গণেশ পুজোর চল না থাকলেও,বর্তমানে বেড়েছে পুজোর সংখ্যা। তাই মূর্তির বরাতও ভাল মিলেছে। লক্ষ্মীলাভ হওয়ায় মুখে হাসি ফুটেছে মৃৎশিল্পীদের।
তাঁদের কথায়, আগে দুর্গাপুজো ছাড়া অন্য উৎসবে প্রতিমার সে রকম বরাত মিলত না চা-বাগান ও জঙ্গল ঘেরা এলাকাগুলোতে। আগে হাতে গোনা গণেশপুজো হত এ সকল এলাকায়। তবে, বিগত কয়েক বছরে সেই সংখ্যা অনেকটাই বাড়ছে। তা ছাড়া দুর্গা পুজোর পাশাপাশি, বর্তমানে বিগ বিজেটের গণেশ পুজোরও আয়োজন হচ্ছে। ফলে ছোট-মাঝারির পাশাপাশি, বড় মূর্তির বরাতও মিলছে মৃৎশিল্পীদের।
মৃৎশিল্পীরা জানান, এ ভাবে চলতে থাকলে আশা করছেন আগামীতে পুজোর সংখ্যা অনেকটা বাড়বে। এ বিষয়ে হ্যামিল্টনগঞ্জের মৃৎশিল্পী লিটন পাল বলেন, ‘‘আগে যেখানে তিন থেকে চারটে গণেশমূর্তির বরাত আসত, সে জায়গায় এ বছর ৩০টির কাছাকাছি মূর্তির বরাত এসেছে।’’ তিনি জানান, সীমান্ত জয়গাঁ থেকে শুরু করে চা বাগানে ঘেরা দলসিংপাড়া, হাসিমারা, কালচিনি সকল স্থান থেকেই এ বছর মূর্তির বরাত এসেছে।