ধূপগুড়ি থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে পাওয়া বিরল ঘটনা নয়। সাধারণত অক্টোবরের শেষের দিকে উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু জেলা থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার দেখা মেলে। তবে ধূপগুড়ির পাশাপাশি এ বার কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ দৃশ্যের সাক্ষী থাকল মূর্তি এবং বানারহাট। এই মরসুমে প্রথম। এই সময়ে প্রচুর পর্যটক যান উত্তরবঙ্গে। মূর্তি এবং বানারহাট থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার দেখা মেলায় স্বাভাবিক ভাবেই উচ্ছ্বসিত তাঁরা। এমন দৃশ্যের সাক্ষী থাকায় উচ্ছ্বসিত স্থানীয় বাসিন্দারাও।
বুধবার আকাশ পরিষ্কার এবং ঝলমলে। ফলে আরও স্পষ্ট কাঞ্চনজঙ্ঘা। এমনটাই জানাচ্ছেন স্থানীয়েরা। তাঁদের আরও দাবি, লকডাউনের সময় থেকেই উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে পরিষ্কার দেখা গিয়েছিল কাঞ্চনজঙ্ঘা। মূলত অক্টোবরের শেষের দিকে প্রায় প্রতি বছরই এমন দৃশ্যের সাক্ষী থাকে উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলা।
মূর্তি থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা। বুধবার। নিজস্ব চিত্র।
সোমবার কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ সৌন্দর্যের দেখা মিলেছে ধূপগুড়ি-সহ ডুয়ার্সের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। কাঞ্চনজঙ্ঘার বরফে ঢাকা শৃঙ্গ দেখতে মূলত দার্জিলিঙে দেশ-বিদেশের পর্যটকরা ভিড় জমিয়ে থাকেন। তবে এ বার ডুয়ার্স থেকেই দেখা মিলেছে কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ দৃশ্যের। তা দেখতে সাধারণ মানুষ ও পর্যটকরা ভিড়ও করেছিলেন বহু জায়গায়।
ডুয়ার্সে ঘুরতে আসা পর্যটকেরা কখনওই ভাবেননি যে এই ধরনের দৃশ্য তাঁরা দেখতে পাবেন। ঘুম থেকে উঠেই পশ্চিমের আকাশের দিকে তাকিয়ে অবাক হয়ে যান পর্যটকেরা। সূর্যের আলোয় বরফে ঢাকা কাঞ্চনজঙ্ঘা জ্বলজ্বল করছে। জঙ্গল, পাহাড় ও নদীর পাশাপাশি ডুয়ার্স থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দর্শন ছিল বাড়তি পাওনা । আর তাই সেই অপরূপ দৃশ্য উপভোগ করতে ধূপগুড়ি শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ভিড় জমান বহু মানুষ।