Advertisement
E-Paper

পাক চর সন্দেহে দিল্লি থেকে সফ্‌টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারকে ধরে আনল এসটিএফ! কোচবিহারে ধৃতদের জেরা করে হদিস

গত ১৫ অগস্ট স্বাধীনতা দিবসে কোচবিহারের সাহেবগঞ্জ থেকে পাক চর সন্দেহে তিন জনকে ধরেছিল এসটিএফ। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই দিল্লির সফ্‌টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের খোঁজ মেলে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ অগস্ট ২০২৬ ২২:৩০
দিল্লি থেকে প্রদীপ্ত বসুকে গ্রেফতার করে কোচবিহারে নিয়ে এসেছে পশ্চিমবঙ্গ এসটিএফ। বৃহস্পতিবার।

দিল্লি থেকে প্রদীপ্ত বসুকে গ্রেফতার করে কোচবিহারে নিয়ে এসেছে পশ্চিমবঙ্গ এসটিএফ। বৃহস্পতিবার। —নিজস্ব চিত্র।

পাকিস্তানি গুপ্তচর সন্দেহে দিল্লি থেকে এ বার ধরা পড়লেন এক সফ্‌টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) তাঁর খোঁজে রাজধানীতে গিয়েছিল। বুধবার সেখানেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার নিয়ে আসা হয় কোচবিহারে। সেখানকার আদালত ধৃতকে আট দিনের এসটিএফ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।

গত ১৫ অগস্ট স্বাধীনতা দিবসে কোচবিহারের সাহেবগঞ্জ থেকে পাক চর সন্দেহে তিন জনকে ধরেছিল এসটিএফ। তাঁদের মধ্যে দু’জন ছিলেন কোচবিহারের বাসিন্দা এবং একজন উত্তর দিনাজপুরের পাঞ্জিপাড়ার বাসিন্দা। এই তিন জনের সঙ্গে তারও আগে উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া থেকে ধৃত পাকিস্তানি নাগরিক রানা রউফের যোগ আছে বলে জানতে পারে এসটিএফ। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই দিল্লির সফ্‌টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের খোঁজ মেলে। প্রাথমিক ভাবে তদন্তকারীদের অনুমান, পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ রয়েছে।

দিল্লি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে প্রদীপ্ত বসুকে। তিনি শিলিগুড়ির বাসিন্দা, পেশায় সফ্‌টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার-টেকনিশিয়ান। বৃহস্পতিবার তাঁকে দিনহাটা মহকুমা আদালতে হাজির করানো হয়েছিল। তদন্তকারীদের দাবি, বিদেশি মুদ্রা আদানপ্রদানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এই প্রদীপ্ত। হাওয়ালা লেনদেন, জাল নোট পাচার, এমনকি, ভারতীয় সিম কার্ড তিনি বাংলাদেশ হয়ে পাকিস্তানে পাঠিয়েছেন। গোটা চক্রে তাঁর কী ভূমিকা ছিল, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অন্য দিকে, একই মামলায় এসটিএফ-এর আর একটি দল বৃহস্পতিবার উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর থেকে ধরেছে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি জ়াকির হোসেনের ভাই ফজলে রাব্বি সিদ্দিকিকে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাঁকে। সূত্রের খবর, কোচবিহার থেকে পাক গুপ্তচর সন্দেহে ধৃত ওই তিন জনের সঙ্গে ইসলামপুরের যুবকের যোগসূত্র আছে বলে গোয়েন্দারা প্রাথমিক ভাবে জানতে পেরেছেন। অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

হাবড়া থেকে রানাকে গ্রেফতারের পর তপসিয়া এলাকায় তাঁর আরও দুই সহযোগীকে ধরে এসটিএফ। সূত্রের খবর, নেপাল হয়ে কলকাতায় এসেছিলেন রানা। বাংলাদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। স্বাধীনতা দিবসের ঠিক আগে ১২ অগস্ট তিনি ধরা পড়ে যান। তাঁর পাকিস্তানি পাসপোর্টের হদিসও মিলেছে। কলকাতায় তিনি ভুয়ো পরিচয়ে থাকছিলেন। তাঁর সূত্রেই কোচবিহারে তিন জনের খোঁজ পান তদন্তকারীরা। গ্রেফতার করা হয় রশিদুল হক, নাসিরুদ্দিন আলি এবং শফিকুলকে। এই ঘটনায় মোট সাত জনের বিরুদ্ধে এসটিএফ সাহেবগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিল। তাঁদের মধ্যে দু’জন বাংলাদেশি নাগরিক এবং একজন নেপালের বাসিন্দা রয়েছেন বলে খবর। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে চক্রের মূলে পৌঁছোতে চাইছেন গোয়েন্দারা।


West Bengal STF Cooch Behar Pakistan Pakistan Spy ISI Delhi

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy