E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

একশো কোটি টাকার নয়া প্রকল্প

বৈঠকে ঠিক হয়েছে, জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি এবং নাগরাকাটার বিধানসভা এলাকা এসজেডিএ-র কাজের এলাকার বাইরে রয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৯ অগস্ট ২০২৬ ০০:৪৯
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এসজেডিএ) এলাকায় ১০০ কোটি টাকার বিভিন্ন নতুন প্রকল্পের কাজ হবে। শুক্রবার শিলিগুড়িতে এসজেডিএ-র দফতরে পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ এবং অর্থ ও পরিবহণ প্রতিমন্ত্রী আনন্দময় বর্মণ-সহ আট জন বিধায়কের উপস্থিতিতে বোর্ড মিটিংয়ে ওই সিদ্ধান্ত হয়েছে। রাস্তা, নিকাশি, পানীয় জল, শ্মশান উন্নয়নের মতো কাজ হবে ওই টাকায়।

প্রায় আড়াই বছর পরে এ দিন বোর্ড মিটিং হয়। দার্জিলিং এবং জলপাইগুড়ির জেলাশাসকেরাও বৈঠকে ছিলেন। পুর এবং নগরোন্নয়ন দফতর, নিজস্ব অর্থ এবং অন্যান্য দফতরের আর্থিক সহযোগিতায় ওই ১০০ কোটি টাকার কাজ হবে। বৈঠকে ঠিক হয়, আগামী দু’ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের কাছ থেকে কাজের পরিকল্পনা চাওয়া হবে। পর্যটন মন্ত্রী বলেন, ‘‘১০০ কোটি টাকার নতুন কাজের প্রকল্পের কাজ হবে।’’

প্রশাসনিক সূত্রের খবর, বৈঠকে ঠিক হয়েছে, জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি এবং নাগরাকাটার বিধানসভা এলাকা এসজেডিএ-র কাজের এলাকার বাইরে রয়েছে। ওই এলাকাকে অন্তর্ভুক্ত করতে পুর এবং নগরোন্নয়ন দফতরে আবেদন করা হবে। গত ১৫ বছর তৃণমূল সরকারে জমানায় এসজেডিএ-র আয় ব্যয়, কী-কী কাজ হয়েছে, সব কিছুরই বিশেষ অডিট করানো হবে। সেই সময়ে ২০০ কোটি টাকা দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

অডিটের পরে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে কমিশন না কি, সিবিআইকে তদন্তভার দেওয়া হবে তা পরে ঠিক হবে। কাওয়াখালিতে আর্থিক ভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের জন্য আবাসন প্রকল্প নির্মাণ এবং চারশোর বেশি ফ্ল্যাট বিলিতে অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। সেটিও তৃতীয় পক্ষকে দিয়ে খতিয়ে দেখা হবে বলে বোর্ড মিটিংয়ে আলোচনা হয়।

পর্যটনমন্ত্রী জানান, ল্যান্ড ইউজ় কমপ্যাটিবিলিটি সার্টিফিকেট (এলইউসিসি)-কে সামনে রেখেও দুর্নীতি হয়েছে। এ ছাড়াও ইকো সেনসিটিভ জ়োনের ভুল ব্যাখ্যা করে নিয়ম ভেঙে বহুতল নির্মাণের অভিযোগ মিলেছে প্রোমোটারদের একাংশের বিরুদ্ধে। এমনকী ভবনের নকশা পাশ না-করেই কিছু নির্মাণ হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী আনন্দময় বর্মণ বলেন,‘‘সব কিছুর তদন্ত করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে মোটা টাকা জরিমানা হবে। নির্মাণে গরমিল থাকলে ভেঙে ফেলাও হবে।’’

এ দিন বৈঠকে ঠিক হয়, এসজেডিএ-র সব জমির তথ্য সাধারণকে জানাতে ওয়েব সাইটে দেওয়া হবে। কাওয়াখালিতে জমিহারাদের অভিযোগ মেটাতে দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা হবে। ব্য়বসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে তেনজিং নোরগে বাস টার্মিনাসে এসজেডিএ-র পুরনো ভবন সংস্কার ছাড়াও নতুন বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স হবে। ফুলবাড়িতে এসজেডিএ-র টোলগেট আইন মেনেই চলবে বলে বৈঠকে জানানো হয়েছে। অভিযোগ, রাজ্যে পালাবদলের পরে তা বন্ধ করেছিল বিজেপিরই কিছু লোকজন।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Industrialization

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy