E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

‘ডায়ালিসিস’ করাতে ভোগান্তি রোগীদের

মালবাজার হাসপাতালের উপরে মালবাজার মহকুমার পাশাপাশি কালিম্পং জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারাও নির্ভর করেন। এমনকী বানারহাট, মাদারিহাট ব্লক থেকেও রোগীরা আসেন। ফলে চাপ অনেকটাই বেশি।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩১ জুলাই ২০২৬ ০১:৫৬

—প্রতীকী চিত্র।

মালবাজার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের রোগীদের চাপ বেড়েই চলেছে। প্রতি বছর বর্ষাতে রোগীদের সংখ্যা বাড়ে। এ বারেও বেড়েছে। হাসপাতালের অন্তর্বিভাগে অনুমোদিত শয্যার তুলনায় অনেক বেশি রোগী রাখতে হচ্ছে। ডায়ালিসিস ইউনিটে সুযোগ পেতে রোগীদের হন্যে হতে হচ্ছে। সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন মালবাজারের বিধায়ক।

মালবাজার হাসপাতালের উপরে মালবাজার মহকুমার পাশাপাশি কালিম্পং জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারাও নির্ভর করেন। এমনকী বানারহাট, মাদারিহাট ব্লক থেকেও রোগীরা আসেন। ফলে চাপ অনেকটাই বেশি। এ দিকে, হাসপাতালের অন্তর্বিভাগে একের বেশি রোগী থাকা নিয়ে একটি ভিডিয়ো (যদিও তার সত্যতা সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার পত্রিকা) ছড়িয়েছে। এতে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই ভিডিয়োটি পুরনো। বর্তমান পরিকাঠামোতে রোগীদের যাবতীয় পরিষেবাই দেওয়া হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মালবাজারের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে অন্তর্বিভাগগুলি মিলে অনুমোদিত শয্যার সংখ্যা ৪০০। বর্তমানে ৩৭০টি শয্যা রয়েছে। তবে রোগী থাকেন ৪০০-র বেশি। মেডিসিন, প্রসূতি, শিশু অন্তর্বিভাগে রোগীদের চাপ সবথেকে বেশি। হাসপাতালে সব মিলিয়ে ৫৭ জনের মতো চিকিৎসক রয়েছে। এদের মধ্যে চিকিৎসকের সংখ্যা চার থেকে পাঁচ। রেডিয়োলজিস্ট রয়েছেন মাত্র এক জন। অন্য দিকে, সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে অভ্যন্তরেই পিপিপি মডেলে ডায়ালিসিস ইউনিট চলে। যদিও রোগীরা বিনামূল্যেই পরিষেবা পান। এখানে শয্যার সংখ্যা মাত্র পাঁচ। অথচ সুযোগ পাওয়া অপেক্ষার তালিকায় রয়েছেন ১০০ জনের বেশি রোগী। সম্প্রতি মালবাজার শহরের একটি নার্সিংহোমে ডায়ালিসিস ইউনিট সরকারি নির্দেশিকা অনুসারে বন্ধ রাখা হয়েছে। এর ফলে হাসপাতালের ডায়ালিসিস ইউনিটের উপর চাপ আরও বেড়েছে।

মালবাজারে বর্তমান বিধায়ক শুক্রা মুন্ডা অবশ্য সার্বিক বিষয়টির দায় চাপিয়েছেন পূর্বতন রাজ্য সরকারের উপরে। শুক্রা বলেন, ‘‘আগের সরকার হাসপাতালের পরিকাঠামোর উন্নয়নে ব্যর্থ। ইতিমধ্যে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের কাছে মালবাজার মহকুমা হাসপাতালের জন্য আরও ৫০টি শয্যা দেওয়ার আবেদন করেছি। মালবাজার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ডায়ালিসিস ইউনিট-সহ যাবতীয় বিষয়ের উন্নয়নে সংশ্লিষ্টমহলগুলিতে জানিয়েছি।’’

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Patients medical treatment

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy